খেতাব জিতে নাইটদের কুর্নিশ মাহির!

দুবাই : এভাবেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব?

আরও একবার স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন ড্যাডস আর্মির। ২ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে ২০১৮-য় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। ২০২০-র আসরে প্লেঅফ থেকে ছিটকে যাওয়ার পরও কামব্যাকের কথা শুনিয়েছিলেন একজন। শুক্রবাসরীয় মেগা ডুয়েলে নাইটদের হারানোর পর তাঁর চওড়া হাসিতে জবাব দেওয়ার তৃপ্তি।

- Advertisement -

মহেন্দ্র সিং ধোনি এরকমই। ম্যাচের শেষ বল হওয়ার পরও বাড়তি উচ্ছ্বাসে ভেসে গেলেন না। সতীর্থদের আলিঙ্গনে ধরা পড়লেন, পিঠ চাপড়ে দিলেন সবার। তারপর সোজা নাইট শিবিরের কাছে। একে একে হাত মেলালেন হরভজন, মরগ্যান সবার সঙ্গে। বাহবা দিলেন নাইটদের লড়াকু প্রত্যাবর্তনকেও। পুরস্কার বিতরণি অনুষ্ঠানে বলেও দিলেন, কেকেআর যেভাবে দ্বিতীয় পর্বে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, প্রকৃত চ্যাম্পিয়ন ওরাই!

এমএস এরকমই। গ্রুপ লিগে নাইট-ম্যাচে কোনোমতে জেতার পরও অকপটে বলেছিলেন, চেন্নাই জেতার মতো খেলেনি। এদিনও বললেন, কেকেআর সম্পর্কে সবার আগে বলা দরকার। প্রথম পর্বে নাইটরা যেখানে দাঁড়িয়েছিল, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর কার্যত অসম্ভব ছিল। তাই খেতাবের জন্য যদি কোনো দল যোগ্য হয়, তা কেকেআর-ই!

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত থেকে আইপিএল ট্রফি নেওয়ার পর মাহি তা তুলে দিলেন দীপক চাহারের হাতে। সবাইকে এগিয়ে দিয়ে নিজে সবার পিছনে! খুশির ঝলক অবশ্য পরিষ্কার। সঙ্গী স্ত্রী সাক্ষী, কন্যা জিভাও। চেন্নাইয়ের সেলিব্রেশনজুড়েই পারিবারিক ছবি। পরিবার সহ সুরেশ রায়না, রবীন উথাপ্পা, রবীন্দ্র জাদেজারা। চাহারের বান্ধবী, ফ্র‌্যাঞ্চাইজির কর্তা এবং তাদের পরিবারও। ইরফান পাঠানদের কথায়, চেন্নাই শুধু একটা টিম নয়, একটা পরিবার। তাই বোধহয় শত বাঁধা-বিপত্তি-প্রতিকূলতাতেও সমান অবিচল।

সাফল্যের রাতে এটাই প্রত্যাশিত।