বেহাল জাতীয় সড়ক এখন মরণফাঁদ

151

কামাখ্যাগুড়ি : আলিপুরদুযার জেলার অসম-বাংলা সীমান্ত থেকে শুরু করে সলসলাবাড়ির খাটাজানি সেতু পর্যন্ত ফোর লেনের ৩১সি জাতীয় সড় বেশ কিছু জায়গায় ভেঙে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে। কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে রাস্তা ভেঙে যাওয়ার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। ঘোড়ামারা সেতুর কাছে, ধারসী সেতু লাগোয়া সড়কের কিছু অংশ ছাড়াও বিক্ষিপ্তভাবে বেশ কিছু জায়গায় কংক্রিটের চাদর উঠে গিয়েছে।

২০০৮-২০০৯ সালে জাতীয় সড়কে ফোর লেন সম্প্রসারণের পর থেকেই এখান দিয়ে যান চলাচল বেড়েছে। পাল্লা দিয়ে গাড়ির গতি বেড়েছে। কিন্তু এই ধরনের বিক্ষিপ্ত কিছু ভাঙা অংশের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।

- Advertisement -

নিত্যযাত্রী রাজীব দেবনাথ বলেন, বাইক নিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ অসুবিধা হয়। বিটুমিনের রাস্তা ভাঙলে নুড়ি-পাথর বেরিয়ে আসে, কিন্তু কংক্রিটের জাতীয় সড়ক ভেঙে বিক্ষিপ্তভাবে খাড়া গর্ত তৈরি হয়েছে। লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। এই সমস্ত গর্তে চাকা আটকে গেলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অবিলম্বে রাস্তা মেরামত করা প্রয়োজন।

অসম-বাংলা সীমানা থেকে এই সড়ক বারবিশা, কামাখ্যাগুড়ির উপর দিয়ে গিয়েছে। বড় বড় ভিনরাজ্যের গাড়ির পাশাপাশি জাতীয সড়কে অহরহ ছোট গাড়ি চলাচল করে। কামাখ্যাগুড়ির বাসিন্দা দীপ ঘোষ বলেন, ‘জাতীয সড়কে প্রচুর দুর্ঘটনা ঘটে। ভাঙা অংশ দ্রুত মেরামত না করা হলে ফের প্রাণ অকালে চলে যেতে পারে।

গতবছর পুজোর পর জাতীয সড়কের বিভিন্ন ভাঙা অংশ মেরামত করা হলেও তা স্থায়ী হয়নি। ফের কংক্রিটের চাদর উঠে গিয়ে লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। ভাঙা অংশের কারণে গত একবছরে জাতীয় সড়কে পারোকাটা চৌপথি, ঘোড়ামারা এলাকায় বেশ কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত জাতীয় সড়কের ভাঙা অংশ মেরামতের দাবি জানাচ্ছেন নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে গাড়ির চালকরাও।

৩১সি জাতীয সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রোজেক্ট ডিরেক্টর প্রদ্যুৎ দাশগুপ্ত বলেন, ‘ইতিমধ্যেই জাতীয সড়কের ওই অংশের মেরামতের জন্য দুবার টেন্ডার ডাকা হয়েছে। কিন্তু কেউ বিড করেনি। ফলে মেরামতের কাজ আটকে আছে। টেন্ডারে বিড হলেই বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মেরামতের কাজ শুরু হবে।’

তথ্য ও ছবি- অরিন্দম চক্রবর্তী

Nh-condition