লড়াকু তরুণ ব্রিগেডই প্রাপ্তি নাইট শিবিরের

দুবাই : দুরন্ত কামব্যাক।

তলিয়ে যেতে যেতে নতুন করে স্বপ্ন দেখা। অবশ্য মঞ্চ তৈরি করেও রূপকথার স্বাদ থেকে বঞ্চিত কলকাতা নাইট রাইডার্স। পারিবারিক জীবনে ব্যতিব্যস্ত কিং খানকে রঙিন উপহার দেওয়ার লক্ষ্যটা ফাইনাল ধাপে এসে ভেঙে খানখান।

- Advertisement -

ছেলে আরিয়ান খানকে নিয়ে জেরবার বাজিগর নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন। শুটিং বন্ধ। মন্নতেই বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন। হতাশার মধ্যে দলের জয় কিছুটা হলেও অক্সিজেন জোগাতে পারত। কিন্তু ড্যাডস আর্মির অভিজ্ঞতার সামনে লক্ষ্যচ্যুত তাঁর নাইট সেনারা। খেতাব হাতছাড়া হলেও দলকে নিয়ে গর্বিত অধিনায়ক-কোচ জুটি। তরুণ ব্রিগেডের লড়াই, মানসিক দৃঢ়তায় ভবিষ্যত দেখছেন ইয়োন মরগ্যান, ব্রেন্ডন ম্যাককুলামরা।

মরগ্যান বলেন, আমরা যে লড়াই করেছি, তার জন্য দলকে নিয়ে আমি গর্বিত। প্রত্যাবর্তনের মরিয়া প্রচেষ্টা বুঝিয়ে দিয়েছে দলের চারিত্রিক দৃঢ়তা ও লড়াকু মানসিকতা। ফ্র‌্যাঞ্চাইজির থেকেও পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছি আমরা। শাহরুখ খান, ভেঙ্কি মাইসোররাও সবসময় পাশে ছিলেন।

ফিল্ডিংয়ের সময় রাহুল ত্রিপাঠির হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট নাইটদের বিপক্ষে যায়। দলের প্রযোজনে আট নম্বরে নামলেও কিছু করে উঠতে পারেননি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের নায়ক। মরগ্যান পরে জানান, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, শুভমান গিল দারুণ শুরু করে। আইপিএলে এবারই প্রথম খেলল বেঙ্কটেশ। কিন্তু অনভিজ্ঞতা বুঝতে দেয়নি। দলের ব্যাটিংকে প্রতি ম্যাচে ভরসা জুগিয়েছে। রাহুল ত্রিপাঠিও সেরা ছন্দে ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে চোট সমস্যায় ফেলে দেয়।

কোচ ম্যাককুলামের কথায়, দলের সবাইকে নিয়ে আমি গর্বিত। দুর্দান্ত এক মরশুম গেল। এমন কিছু কিছু ঘটনা ঘটেছে যা সারাজীবন মনে রাখব। শেষধাপে আটকে যাওয়ার পর অনেক প্রশ্নই উঠবে। কিন্তু এখন সেসব নিয়ে ভাবতে চাই না। তরুণরা যেভাবে দলকে ভরসা জুগিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।