বোমা বিস্ফোরণে জখম ১

211
প্রতীকী

বর্ধমান: বোমা বাঁধার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় হাতের কবজি উড়ে গেল এক যুবকের। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার আমগড়িয়া সংলগ্ন এলাকায়। জখম হওয়ার পর স্থানীয় আন্না গ্রামের এক চিকিৎসকের কাছে চুপিচুপি গিয়ে চিকিৎসা করিয়ে ওই যুবক তাঁর শ্বশুর বাড়িতে লুকিয়ে ছিল। কেতুগ্রাম থানার পুলিশ বুধবার ভোরে শ্বশুর বাড়িতে হানা দিয়ে ওই যুবককে ধরে ফেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম অষ্টম হাজরা। বীরভূম জেলার লাভপুর থানার থিবাগ্রামের বাসিন্দা। পাশাপাশি কারেন্দু বিশ্বাস নামে ওই গ্রামীণ চিকিৎসককে ধরে থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

জানা গিয়েছে, যুবকের দুটি হাতের কবজির অংশ বোমা বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে। ধৃত এখন পুলিশের নজরদারিতে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেতুগ্রামে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা এখন চরমে উঠেছে। ধৃত পুলিশের কাছে কবুল করেছে, বোমা বাঁধা শেখার সময়ে বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়াতেই সে জখম হয়েছে। কাদের কাছে অষ্টম বোমা বাঁধা শিখছিল সেবিষয়েও পুলিশ খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে।

- Advertisement -

কেতুগ্রামের আগরডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান মিঠুন মিয়াঁ দাবি করেন, অষ্টম হাজার বিজেপির সক্রীয় কর্মী। মঙ্গলবার কেতুগ্রামের শ্রীপুর গ্রামে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা ঘুরে যাওয়ায় পরেই এলাকার বিজেপির লোকজন অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছে। তার ফলশ্রুতিতে এলাকা অশান্ত করার জন্যে ওই দিন রাতে আমগড়িয়া সংলগ্ন এলাকার ফাঁকা মাঠে অষ্টম হাজরা সহ বিজেপির লোকজন বোমা বাঁধা শুরু করে। বিষ্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় ওদের স্বরূপ এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

বিজেপির পূর্ব বর্ধমানের সাংগঠনিক কাটোয়া জেলার সহ সভাপতি অনিল দত্ত বলেন, ‘পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত করুক। তাহলেই সব সত্য সামনে চলে আসবে। তৃণমূল বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ঘটনার সঙ্গে বিজেপির নাম জড়িয়ে দিতে চাইছে।’