চিলাখানায় তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ১

78

তুফানগঞ্জ: তৃণমূল কর্মী শাহিনুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করল তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে তুফানগঞ্জ শহরের থানা মোড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিজেপির নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কো-কনভেনার চিরঞ্জিত দাসকে। এই ঘটনায় এর আগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সরকারি আইনজীবী সঞ্জীব বর্মন জানান, ধৃত চিরঞ্জিত দাসকে এদিন আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন। তাঁকে ২৫ মে ফের আদালতে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তারির সময় বিজেপির জেলা সভানেত্রী তথা তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতি রাভা রায়ের গাড়ির অনতিদূরে ছিলেন চিরঞ্জিতবাবু। যদিও মালতিদেবী জানান, তাঁর গাড়ি থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন চিরঞ্জিত দাস। সেখান থেকে তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

প্রসঙ্গত, গত ৪ মে তৃণমূল কর্মী শাহিনুর রহমান তাঁর বাড়ির পাশের ক্লাবের একটি মাঠে বসেছিলেন। তৃণমূলের অভিযোগ, সেইসময় দুষ্কৃতীরা শাহিনুর সহ প্রসেনজিৎ সাহা নামে আরও এক দলীয় কর্মীকে তুলে নিয়ে যান। এরপর স্থানীয়রা তল্লাশি চালিয়ে জখম অবস্থায় প্রসেনজিৎকে উদ্ধার করেন। তাঁকে চিকিৎসার জন্য কোচবিহার নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সকালে চিলাখানা বাজার সংলগ্ন এলাকার একটি ভুট্টা খেতে শাহিনুর রহমানের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানান, তাঁরা শান্তির নীতিতে বিশ্বাসী। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। অন্যদিকে, বিজেপির কোচবিহার জেলা সহ সভানেত্রী শিখা বসাক মিত জানান, ব্যক্তিগত কারণে কে কোথায় খুন হয়েছেন আর তৃণমূলের প্ররোচনায় পুলিশ বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের ধরছে। এটা অন্যায়। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। চিরঞ্জিত দাস একজন সমাজকর্মী। এছাড়াও তিনি দলের একটি ভালো পদে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, পুলিশ যেভাবে গতকাল বিকেলে চিরঞ্জিত দাসকে মালতি রাভা রায়ের গাড়ির পাশ থেকে তুলে নিয়ে যায় তা কেউ ভালোভাবে নেবেন না। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনের নাম জড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ।

- Advertisement -