১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার

127

সমীর দাস, কালচিনি: গত কয়েকদিন থেকেই মুরগির খামার ঘর থেকে একের  এক মুরগি বেপাত্তা হচ্ছিল। গৃহস্থের বাড়ি থেকে এভাবে মুরগি চুরির ঘটনায় উদ্বেগ ছড়াচ্ছিল কালচিনির ভাতখাওয়া চা বাগানের বাসিন্দা সংবাদকর্মী হরিহর নাগবংশির বাড়িতে। মুরগি চুরির রহস্য ভেদ হয় বুধবার রাতে। বাগানের গুদাম লাইনের নাগবংশি পরিবারের সদস্যদের লাগাতার মুরগির খামার ঘরে নজরদারি চালিয়ে মুরগি চুরির রহস্য ভেদ করার পাশাপাশি মুরগি চোরকেও হাতেনাতে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়।

বুধবার রাত প্রায় ১২টা নাগাদ ওই পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান একটি বিশাল অজগর ধির গতিতে মুরগির খামার ঘরে ঢুকে পড়েছে। একটি মুরগি ধরে মুখে পুরতেই হরিহর ও পরিবারের সদস্যরা বন দপ্তরে খবর পাঠান। বক্সা ব‍্যঘ্র প্রকল্পের অধীন নিমাতি রেঞ্জের বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অজগরটিকে ধরে বস্তাবন্দি করে ফেলেন। চাপে পড়ে মুখের শিকার ছেড়ে দিতে বাধ‍্য হয় অজগরটি। তবে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি অসহায় মুরগিটিকে। নিমাতির রেঞ্চ অফিসার অর্নব দাস বলেন অজগরটিকে উদ্ধার করে সুস্থ অবস্থায় নিমাতি বিটের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

সংবাদকর্মী হরিহর নাগবংশি বলেন, গত চার পাঁচ দিনে অন্তত পাঁচটি মুরগি খেয়ে ফেলে অজগরটি। প্রথমে ভেবেছিলাম কেউ হয়ত খামার থেকে মুরগি চুরি করছে। খামারটিতে ২৪ ঘন্টা নজরদারি শুরু করি। বেপাত্তা হয়ে যাওয়া মুরগিগুলি যে অজগরটির খাদ‍্যে পরিনত হয়েছে সেটা বুধবার গভীর রাতে টের পাই। এত বড় অজগরটিকে দেখে প্রথমে ঘাবরে যাই। পড়ে অবশ‍্য বনকর্মীদের খবর দিলে তাঁরা দ্রুত এসে অজগরটিকে ধরে ফেলেন। খামারে থাকা অবশিষ্ট মুরগিগুলি প্রানে বাঁচল বনকর্মীদের তৎপড়তায়। মধ‍্যরাতে মুরগি চোর ধরা পড়ায় বাগানের ওই এলাকায় শ্রমিক মহল্লায় চাঞ্চল‍্য ছড়ায়।