ধস কবলিত এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ১১ হাজার আবাসন

0
135
- Advertisement -

আসানসোল: পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল রানীগঞ্জ কয়লাখনি এলাকার ধস কবলিত অঞ্চলের বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে ১১ হাজার আবাসন। জেলার তিনটি জায়গায় এই আবাসন তৈরি করা হচ্ছে।

সেই আবাসন তৈরির কাজ কি পর্যায়ে আছে তা খতিয়ে দেখতে আসানসোলে আসেন রাজ্য আবাসন দপ্তরের সচিব তথা রাজ্য হাউজিং বোর্ডের সদস্য ওঙ্কার সিং মীনা। তিনি এদিন আসানসোলের পশ্চিম বর্ধমান জেলাশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসনিক আধিকারিক ও আবাসন তৈরির দায়িত্বে থাকা এজেন্সির লোকেদের সঙ্গেও একটি বৈঠক করেন৷ সেই বৈঠকে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি ছাড়াও ছিলেন জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক ডাঃ অভিজিৎ তুকারাম ও আসানসোলের মহকুমা শাসক দেবজিৎ গাঙ্গুলি।

বৈঠকের পরে হাউজিং দপ্তরের সচিব জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে যে তিন জায়গায় আবাসন তৈরি করা হচ্ছে, তা পরিদর্শন করেন। কাজ দেখে সচিব সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতে আবাসন তৈরির কাজ শেষ হয়, তার জন্য সচিব নির্দেশও দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি আবাসন তৈরিতে যেসব সমস্যা হচ্ছে, তা সমাধানে কি কি করতে হবে, তার পরামর্শও তিনি দিয়েছেন।

পরে জেলাশাসক বলেন, আসানসোল রানীগঞ্জ কয়লাখনি এলাকায় খনির নিচে আগুন ও ধসের জন্য যেসব মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনের জন্য যে প্রকল্প আছে, তাতে জেলার তিন জায়গায় ১১ হাজার আবাসন তৈরি করা হচ্ছে। জামুড়িয়ার বিজয়নগর, সালানপুরের দাসকেয়ারি ও অন্ডালে এইসব আবাসন তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে এই ১১ হাজার আবাসন তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে ৫ হাজার আবাসন চলতি বছরের নভেম্বর মাসের মধ্যে শেষ করা হবে৷ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতে আবাসন তৈরির কাজ শেষ হয়ে যায়, তারজন্য সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। করোনা আবহের মধ্যে ৪ হাজার কর্মী প্রতিদিন কাজ করছেন। অন্য জেলা থেকেও কর্মী আবাসন তৈরির জন্য আনা হয়েছে।

- Advertisement -