বিভিন্ন অপরাধে ধৃত ১২

44

বর্ধমান: বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য রুখতে তৎপর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ প্রশাসন। জেলার পূর্বস্থলী থানার পুলিশের তৎপরতায় কার্তুজ ও আগ্নেআস্ত্র সহ ধরা পড়ল দুই দুষ্কৃতী। ধৃতরা হল সুরজিৎ ঘোষ ওরফে পিকু এবং অসীম মণ্ডল। তাদের বাড়ি যথাক্রমে পূর্বস্থলীর বড়ধামাস ও কাটোয়ার মুস্থুল এলাকায়। অপরাধ সংঘটিত করার উদ্দেশ্যে শুক্রবার রাতে সশস্ত্র দুষ্কৃতী দলটি জড়ো হয় পূর্বস্থলীর ছাতনী মোড়ে। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই দুজনকে ধরে ফেলে। তল্লাশিতে ধৃতদের কাছ থেকে একটি ওয়ান শাটার বন্দুক ও তিনটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অন্যদিকে, মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে প্রচুর পরিমাণ চোলাই মদ সহ ধরা পড়েছে তিনজন। ধৃতরা হল অর্জুন দাস, কৃষ্ণ দাস ও হীরু ঘোষ। তাদের বাড়ি মন্তেশ্বরের বরণডালা, আউশগ্রাম ও ঘোড়াডাঙ্গা এলাকায়। মন্তেশ্বর থানার পুলিশ চোলাই সহ শুক্রবার রাতে মালডাঙ্গা বাজার থেকে তাদের ধরে। পুলিশের দাবি, ২০ লিটারের তিনটি ব্যারেলে ভর্তি ৬০ লিটার চোলাই মদ ধৃতদের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে ধৃতদের শনিবার পেশ করা হয় কলনা মহকুমা আদালতে।

- Advertisement -

এই সকল অপরাধীরা ছাড়াও বর্ধমান থানার পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছে সাত জুয়াড়ি। তাদের বাড়ি বর্ধমান থানার দুবরাজদিঘি ও বাজেপ্রতাপপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে দুবরাজদিঘি হাইস্কুল পাড়ায় শেখ রাজীবের বাড়িতে জুয়ার আসর বসেছিল। খবর পেয়ে সেখানে হানা দিয়ে পুলিশ ওই সাত জনকে ধরে ফেলে। বাকি দু-তিন জন জুয়াড়ি পালিয়ে যায়। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে বোর্ডমানির ৬ হাজার ৪০০ টাকা ও তাস পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি গলসি, রায়না ও মাধবডিহি থানার পুলিশ তিন চোলাই কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম টগর বিশ্বাস, বীরেন মুর্মু ও রতন মাঝি। এই তিন জনের কাছ থেকে মোট ৯২ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। এই তিন ধৃতকেও এদিন পুলিশ বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।