পাচারের আগে ১২টি গোরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

108

বক্সিরহাট: অসম-বাংলা সীমানা দিয়ে পাচারের সময় ১২টি গোরু সহ ৪ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল অসম পুলিশ। রবিবার রাতে অসমের ছাগলীয়া আরক্ষী চকীর আইসি প্রশান্ত দাসের নেতৃত্বে আলু ভর্তি একটি পিকআপ ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ভ্যানের ভেতরে আলুর বস্তার নীচে গোপন চেম্বার থেকে ১২টি গোরুকে উদ্ধার করা় হয়। গাড়ির চালক ও খালাসির কাছে কোনও বৈধ কাগজ না থাকায় গোরু সহ ১৩ বস্তা আলু ও পিকআপ ভ্যানটিকে পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। পাচারের কাজে জড়িত সন্দেহে পিকআপ ভ্যানের চালক কোচবিহার জেলার পুন্ডিবাড়ির বাসিন্দা রশিদুল হক(২৭) ও তার সহকর্মী রেজাউল হক(২৩)কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাদের সূত্র ধরেই ওই পথে আগত একটি যাত্রীবাহী গাড়িকে পিছু ধাওয়া করে গাড়ির চালক পুন্ডিবাড়ির বাসিন্দা মেহেবুব আলি(৩৫) ও গাড়ির এক আরোহী চিড়িয়াখানার বাসিন্দা ইউসুফ আলি(৩৪)কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করে।

ধুবুরীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রোজি রানী শর্মা জানান, এদিন শুধু ছাগলীয়াতেই নয় আসামের গোলকগঞ্জ এলাকা থেকেও আসাম পুলিশ আরও একটি পিকআপ ভ্যান থেকে ৬টি গোরুকে উদ্ধার করে। এই গোরুগুলিকে রাখা হয়েছিল মাছের পেটির নীচে গোপন চেম্বারে। তবে এক্ষেত্রে গাড়ির চালক গাড়িটিকে ফেলে পালিয়ে যায়। বাংলা থেকে অসমে নতুন কায়দায় পাচারকারীরা গোরুগুলিকে পাচার করার চেষ্টা করেও অসম পুলিশের প্রচেষ্টায় তা ব্যর্থ হয়। এর সঙ্গে কোনও বড় চক্র কাজ করছে তা ধরতে তারা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানায়, পশ্চিমবাংলার পুন্ডিবাড়ি থেকে গোরুগুলিকে আনা হয়েছিল অসম সীমানা দিয়ে বাংলাদেশে পাচার করার উদ্দেশ্যে। গোরুগুলিকে স্থানীয় একটি খামারে রাখা আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

- Advertisement -

বাংলা সীমানা দিয়ে গোরু পাচার হওয়ার কথা অসম পুলিশ দাবি করলেও তা মানতে চাননি কোচবিহারের পুলিশ সুপার সুমিত কুমার। তিনি জানান, তাদের কাছে এমন কোনও খবর নেই। নির্দিষ্টভাবে কেউ অভিযোগ করলে তিনি তা খতিয়ে দেখবেন।