বাংলাদেশের পুলিশ কর্মীর ১৪ দিনের জেল হেপাজত

143

চ্যাংরাবান্ধা: কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশের পুলিশ কর্মী শেখ সোহেল রানাকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিল আদালত। জানা গিয়েছে, গত রবিবার তাকে মেখলিগঞ্জ মহকুমা আদালতে তোলা হলে তার ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড হয়। বুধবার ফের তাকে আদালতে তোলা হলে এসিজেএম বিনোদ মাহাতো তাকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতে পাঠান। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর ফের শেখ সোহেল রানাকে মেখলিগঞ্জ এসিজেএম কোর্টে তোলা হবে।

চোরাপথে সীমান্ত টপকে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে গত শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তের ভিআইপি মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বিএসএফ ও গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা। শেখ সোহেল রানার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই তিনি গা ঢাকা দেবার উদ্যেশে ভারতে প্রবেশ করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। ভারত থেকে নেপালে যাবার কথা ছিল তার। তার আগেই তিনি ধরা পড়ে যান। ইতিমধ্যেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন পুলিশ ও বিএসএফ কর্তারা।

- Advertisement -

তিনি দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছেন। বাংলাদেশ পুলিশের অধিকারিক পদে কর্মরত তিনি।তাই তার সীমান্ত টপকানোর ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও শেখ সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে সে সম্পর্কে পুলিশ ও বিএসএফের কর্তারা সরসারি মুখ খুলতে চান নি। তবে বাংলাদেশের ওই পুলিশ কর্তা কীভাবে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করেছেন সেই সম্পর্কে অনেক তথ্যই জানতে পেরেছেন পুলিশের কর্তারাও। দালাল চক্রের হাত ধরেই তিনি সীমান্ত টপকে ভারতে আসেন।