ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ১৭টি বাড়ি, সাহায্যের আশ্বাস তৃণমূল প্রার্থীর

72

বৈষ্ণবনগর: আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হল ১৭টি পরিবারের ঘর বাড়ি। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বৈষ্ণবনগরের সীমান্তবর্তী এলাকা গোলাপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালনগর গ্রামে। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আসে গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ইসলাম নগরের তৃণমূল প্রার্থী চন্দনা সরকার। অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সবরকম সহযোগিতা করা হবে বলে জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপালনগর গ্রামের এক বাড়িতে উনুনে রান্না হচ্ছিল। সেসময় সাময়িকভাবে বেরিয়ে ছিলেন সেই বাড়ির মালিক। এরপরেই রান্নাঘরে আচমকাই আগুন লেগে যায় পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। একের পরে এক বাড়িতে আগুন লেগে সমস্তই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাড়ির মানুষজন প্রাণে বাঁচলেও ঘরের মধ্যে থাকা কোন জিনিসপত্র, গয়না, টাকা পয়সা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয়দের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে না এলে দমকলের সাহায্যে আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গোলাপগঞ্জ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা ইয়াসমিন, প্রধানের স্বামী জিয়াউল হক, গোপালনগর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য হারাধন রজক সহ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্যরা।

- Advertisement -

গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য হারাধন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা ১৭টি পরিবারকে চিহ্নিত করেছি। যাদের ঘরবাড়ি পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। তবে, ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগুনের তীব্রতা এতই দ্রুত ছড়াচ্ছিল যে আশেপাশের ঘরবাড়িগুলো খালি করে দেওয়া হয়।‘

গোলাপগঞ্জ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান প্রতিনিধি স্বামী জিয়াউল হক বলেন, ‘আমরা সকলে মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও  কিছুই হয়নি। সোনার গয়না, টাকা, কয়েকটা ছাগল সেগুলো পুড়ে গিয়েছে।‘ তৃণমূল প্রার্থী চন্দনা সরকার বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতি প্রায় কোটি টাকারও বেশি হয়ে যাবে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছি। খুব দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে। আমরা বিডিওর সঙ্গে আলোচনা করছি প্রত্যেকে যেন একটি করে ঘর করে দেওয়া হয়।‘