হিমাচলেও বার্ড ফ্লু আতঙ্ক, মৃত্যু ১,৭০০ পরিযায়ী পাখির

220

সিমলা: হিমাচল প্রদেশের কাঙ্গড়া জেলার পং ড্যাম লেকে কয়েকশো পরিযায়ী পাখির মৃত্যুতে আতঙ্ক ছড়াল। বার্ড ফ্লু এর কারণে পরিযায়ী পাখি গুলি মারা গিয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ওই লেকে বিপুল সংখ্যক পরিযায়ী পাখির মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে টেস্ট করানো হয়েছিল। টেস্ট রিপোর্টে অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ধরা পড়ে। বিগত কয়েক দিনের মধ্যে এ নিয়ে চার রাজ্যে বার্ড ফ্লু ধরা পড়ল। হিমাচলের বিখ্যাত পং ড্যাম অভয়ারণ্যের লেকে প্রায় দু’হাজার পরিযায়ী পাখির অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরই বার্ড ফ্লু কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছিল। সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়। এখনও পর্যন্ত ১৭০০-র বেশি পরিযায়ী পাখির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ধামেটা ও নগরোটা সুরিয়ন বন ক্ষেত্রের জগমোলি ও গুগলাড়া অঞ্চলেই সব থেকে বেশি পাখি মারা যায়। প্রধান বন সংরক্ষক অর্চনা শর্মা জানান, বেরিলির ভারতীয় ভেটেরিনারি গবেষণা ইনস্টিটিউটে মৃত পাখিদের নমুনা পাঠানো হয়েছিল। মৃত্যুর কারণ অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বলে জানানো হয়েছে। তা নিশ্চিত করতে ভোপালের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাই সিকিওরিটি অ্যানিম্য়াল ডিজিজেসেও পাঠানো হয়েছে।

হিমাচলেও বার্ড ফ্লু আতঙ্ক, মৃত্যু ১,৭০০ পরিযায়ী পাখির| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

- Advertisement -

এক বন আধিকারিক জানান, মৃত পাখিদের ৯৫ শতাংশই বার হেডেড গিজ। সাইবেরিয়া ও মঙ্গোলিয়া থেকে হিমাচলে এসেছিল এই পরিযায়ীর দল। প্রতিবছর শীতে ১.১৫ থেকে ১.২০ লক্ষ পরিযায়ী পাখি হিমাচল প্রদেশের পং ড্যাম পাখিরালয়ে আসে। তারা চার মাস সেখানে থেকে ফিরে যায়। ধর্মশালা জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে পং ড্যাম অভয়ারণ্যে পর্যটকদের যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। বার্ড ফ্লুর খবরে কাঙ্গড়া জেলাশাসক রাকেশ প্রজাপতি পোলট্রির বিক্রি ও রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। জেলার ফতেহপুর, দেহরা, জাওয়ালি ও ইন্দোরায় ২০০৫ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট এর ৩৪ ধারা প্রয়োগ করে পোলট্রির মুরগি, মাংস, ডিম ও মাছ বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পং ড্যাম লেকের ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে স্থানীয়দের গতিবিধিও নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এদিকে, রাজস্থান, কেরালা ও ইন্দোরেও বার্ড ফ্লুর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজস্থানের কয়েকটি জেলায় বার্ড ফ্লু’তে ২৫০-র বেশি কাক মারা গিয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরেও কাকের মৃত্যুর কারণ বার্ড ফ্লু বলে জানা গিয়েছে। কেরালার কোট্টায়াম ও আলাপ্পুঝা জেলাতেও ছড়িয়েছে বার্ড ফ্লু।