গুজরাত বিধানসভা উপনির্বাচনের আঠারো শতাংশ প্রার্থী ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত

284

নয়াদিল্লি: আগামী ৩ নভেম্বর গুজরাত বিধানসভার ৮০টি আসনে উপনির্বাচনের ভোট। সেই ৮০ আসনের মধ্যে আঠারো শতাংশ আসনের প্রার্থী ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। একথা অভিযুক্ত প্রার্থীরা তথ্য পেশ করে জানিয়েছেন বলে দাবি অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রাটিক রিফর্ম(এডিআর)।

এডিআর রিপোর্টে ওই প্রার্থীদের আর্থিক অবস্থার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, গুজরাত বিধানসভা উপনির্বাচনের ৮০ আসনের ২০-২৫ শতাংশ আসনের প্রার্থী কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। ওই ৮০ আসনের জন্য ৮১ জন প্রার্থী হলফনামা জমা দিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন।

- Advertisement -

শুধু তাই নয়, এডিআর বলছে, প্রার্থীদের মধ্যে ৭-৯ শতাংশ প্রার্থী হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মারাত্মক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এমনকী, পাঁচ বছরের জেলা হেপাজত ছাড়াও জামিন অযোগ্য মামলা রয়েছে। আর ১৪-১৮ শতাংশ প্রার্থী ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত।

রিপোর্ট বলছে, প্রার্থীদের প্রতি দু’জনের মধ্যে একজন (৫০%) বিটিপি বা ভারতীয় ট্রাইবাল পার্টি, প্রতি আটজনের মধ্যে তিনজন(৩৮%) বিজেপি, ২ জন কংগ্রেস(২৫%) এবং প্রতি ৫৩ জনের মধ্যে ৮ জন(১৫%) নির্দল প্রার্থী নিজেদের নামে ফৌজদারি মামলায় রয়েছে বলে হলফনামায় জানিয়েছেন। এছাড়াও, প্রতি আট বিধানসভার মধ্যে দুটি বিধানসভায় লাল সতর্কতা রয়েছে। যেখানে দু-তিন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানান।

এডিআর রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে, গুজরাত বিধানসভা উপনির্বাচনে রাজনৈতিক দল গুলির প্রার্থী নির্বাচনে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তকে প্রার্থী না করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশাবলী উপেক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, গুজরাত বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দল গুলির ২৫-৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট দেশের রাজনৈতিক দল গুলির কাছে জানতে চেয়েছিল যে, নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তারা কেন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তদের প্রার্থী করেন এবং যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নেই তাদের কেন প্রার্থী করেন না।