৪ দিনেই প্রোমোটার খুনের কিনারা! ধৃত ২

130

আসানসোল: প্রোমোটার খুনের ঘটনায় তদন্তে নেমে মৃতের পকেট থেকে উদ্ধার চাবির রিং-এ থাকা গাড়ির নম্বরের সূত্র ধরে দু’জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতরা আফতাব আলম ও নজরে আলম। দু’জনেই কলকাতার বেনিয়াপুকুরের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা জেরায় খুনের ঘটনা স্বীকার করেছে।

জামতারা জেলার পুলিশ সুপার দীপক কুমার সিনহা মঙ্গলবার মিহিজাম থানায় এক সাংবাদিক সম্মেলন বলেন, ‘পুলিশ কলকাতা থেকে এই খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ি, মৃতের ঘড়ি, স্কুটির চাবি, মোবাইল ফোন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মেট্রো রেলওয়ে স্মার্ট কার্ড, নগদ ১৮০ টাকা, খুনে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।’ ঘটনার মাত্র চার দিনের মধ্যে যেভাবে এই খুনের কিনারা মিহিজাম পুলিশ করেছে তার জন্য পুলিশের এই দক্ষতাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

- Advertisement -

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা জেরায় স্বীকার করেছে, প্রায় ৪ লক্ষ টাকা যাতে শোধ করতে না হয় তার জন্য সইফকে খুন করার পরিকল্পনা করেছিলেন তারা। সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে সইফকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার আত্মীয় নজরে আলম। ঘুমের ওষুধ মেশানো মাদক খাইয়ে গলা কেটে পিপলা মোড়ের কাছে রাস্তার পাশে তারা ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। ক্রাইম পেট্রোলের মতো সিরিয়ালে একাধিক ঘটনা দেখেই তারা এই অপরাধ করেছে বলে ধৃতরা পুলিশকে জানিয়েছে। কিন্তু কলকাতা থেকে এতটা দূরে ঝাড়খন্ডের মিহিজাম কেন ? এই প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তারা ঐসব সিরিয়াল দেখে জানতে পেরেছিল এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে খুন করে ফেলে দিলে হয়ত ধরা পড়বে না। যদি চাবির রিংয়ের সূত্র না পাওয়া যেত তাহলে এই ঘটনার ক্ষেত্রে কি হত বলা মুশকিল। এই খুনের ঘটনার মাস্টারমাইন্ড আফতাব, এমনটাই জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। তিনি আরও বলেন, ‘কলকাতা থেকে মিহিজামে পুলিশ দুই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে এখানে নিয়ে এসেছে। তাদেরকে জেরা করেই খুনের মোটিভ ও এইসব তথ্য পাওয়া গিয়েছে।’