আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই

374

সিউড়ি: এক আদিবাসী বিধবা মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল দু’জনকে। বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার চরিচা গ্রাম পঞ্চায়েতের বোরাবাঁধ গ্রামে। পলাতক তিন আরও অভিযুক্ত। ধৃতদের রবিবার সিউড়ি বিশেষ আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ১৮ অগস্ট রাত্রে। ওই দিন আদিবাসী বিধবা মহিলা পাশের গ্রামে এক পুজোয় অংশগ্রহণ করেন। পুজো শেষে এক পরিচিত যুবকের সঙ্গে মোটরবাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। গ্রাম ঢোকার আগেই জঙ্গলের মধ্যে পাঁচ যুবক তাদের পথ আটকায়। তাদের গ্রামের ক্লাবের নিয়ে গিয়ে আটকে রাতভর গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরদিন তাদের ছেড়ে দিলেও ঘটনার কথা কাউকে না জন্য হুমকি দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসেন ওই মহিলা। ভয়ে কাউকে না জানিয়ে বাড়িতেই থেকে যান।

- Advertisement -

কিন্তু অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় শনিবার তিনি পরিবারের সঙ্গে গিয়ে মহম্মদবাজার থানায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ কার্টিজ হাঁসদা ও জল্পা হাঁসদাকে গ্রেপ্তার করে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নির্যাতিতা মহিলাকে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩৭৬(ডি) এবং ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দশদিনের হেপাজত চেয়ে অভিযুক্ত দু’জনকে আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেন। এদিকে এখনও অধরা ঢোকা বাসকে, লখিয়া হাঁসদা, তাম্বর বাসকে। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

সিউড়ি আদালতের ভারপ্রাপ্ত সরকারি আইনজীবী শুভাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এক বিধবা মহিলা তার গ্রামের পাঁচ জন যুবকের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেন”।