চাঁচল ও রায়গঞ্জ ৪ অক্টোবর: চাঁচল জগন্নাথপুরে মহানন্দা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় শুক্রবার সকালে আরও দুজনের দেহ উদ্ধার হল। গোটা রাত প্রশাসনের বিপর্যয় মোকাবিলার দল তল্লাশি চালিয়ে দুপুর পর্যন্ত এই দুটো দেহ উদ্ধার করে। মৃতদের নাম নাজমা বিবি (৫৬), তামান্না পারভিন (১৪)। রাত থেকেই ঘটনাস্থলে রয়েছেন মালদা জেলা জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য ও পুলিশ সুপার। এদিন সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ওই নৌকায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী ছিল। তারা চাঁচোলের জগন্নাথপুর থেকে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার থানার মুকুন্দপুর এলাকায় যাচ্ছিলেন। নৌকোতে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় মাঝ নদীতে ডুবে যায়। বৃহস্পতিবার রাতেই ৮ জন যাত্রী কোনরকমে সাঁতরে প্রাণে বেঁচেছেন। তাদের প্রত্যেককে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে বর্তমানে সেখানে তারা চিকিৎসাধীন। উদ্ধারকার্যে তদারকি করা ইটাহারের পুলিশ অফিসার রঞ্জিত কুমার মন্ডল জানান, এখনও পর্যন্ত পাঁচটি দেহ, ছয়টি মোটরসাইকেল ও দুটি সাইকেল উদ্ধার হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা কত বাড়বে তা স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। যদিও উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। দুই পাড়েই রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। বিহারের বারসই, মালদার চাঁচোল, উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের সংযোগস্থলে নাগর ও বুড়ি মহানন্দা মিলিত হয়েছে মহানন্দায়। এই তিনটি সংযোগস্থলেই কাল নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। প্রিয়জনদের খুঁজতে এলাকায় প্রচুর মানুষ নদীর তিন পাড়েই ভিড় জমিয়েছেন। তবে এলাকায় রয়েছে তীব্র উত্তেজনা।