শ্রীনগরে সেনার গুলিতে খতম ২ জঙ্গি

প্রতীকী।

অনলাইন ডেস্ক: শ্রীনগরের কাছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে ২ জঙ্গি নিহত হল।

শনিবার সকালে শ্রীনগরের লাগোয়া রণবীরগড়ে কয়েকজন জঙ্গির লুকিয়ে থাকার খবর পায় সেনা। এরপর পুলিশ ও সেনার যৌথ বাহিনী এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে। বিষয়টি টের পেয়ে জঙ্গিরা গুলি চালানো শুরু করে। যৌথ বাহিনীও পালটা জবাব দেয়। দুপক্ষের মধ্যে তীব্র গুলির লড়াই শুরু হয়। রণবীরগড়ে এই এনকাউন্টার ২ জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে ওই এলাকায় আরও কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কিনা তা জানতে তল্লাশি অভিযান জারি রেখেছে সেনা।

- Advertisement -

নিহত দু’জন জঙ্গির মধ্যে একজন সোজেইথ গ্রামের বাসিন্দা ইশফাক রশিদ। সে ২০১৮ সাল থেকে লস্কর-ই-তৈবার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার হিসেবে কাজ করছেন। বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত সে। নিহত আরেকজন পুলওয়ামা জেলার লস্কর-ই-তৈবার ক্যাডার আইজাজ ভাট। রণবীরগড় অঞ্চলটি উত্তর কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলার সীমান্তে শ্রীনগর শহরের উপকণ্ঠে পানজিনারার মধ্যে পড়ে। 

উল্লেক্য, গত শনিবার ভোরে সোপিয়ানের আমশিপোরা এলাকায় যৌথবাহিনীর এনকাউন্টারে খতম হয়েছিল তিন জঙ্গি। আমশিপোরায় কয়েকজন জঙ্গি ঘাঁটি গেড়েছে, এমন খবর পেয়ে সেদিন ভোরে ওই এলাকায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু হয়। যৌথবাহিনীর অভিযান টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেয় যৌথবাহিনীও। এনকাউন্টারে খতম তিন জঙ্গির মধ্যে জৈশের শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার, আইইডি বিশেষজ্ঞও ছিল।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, জুন মাসে কাশ্মীর উপত্যকায় বিভিন্ন এনকাউন্টারে ৪৮ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের বেশিরভাগই দক্ষিণ কাশ্মীরের ৪ জেলার বাসিন্দা।