গালওয়ান সংঘর্ষের পর বছর ঘুরলেও স্বাভাবিক হল না ভারত-চিন সম্পর্ক

182

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক একবছর আগে আজকের দিনে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনের সঙ্গে সংঘর্ষে শহিদ হয়েছিলেন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। এর মাঝে গালওয়ান নদী দিয়ে বয়ে গিয়েছে প্রচুর জল। কিন্তু সেই ঘটনা আজও রয়ে গিয়েছে দগদগে ঘায়ের মতো। সংঘর্ষে বাংলাও তার দুই বীর সন্তানকে হারিয়েছিল।

অন্যদিকে, ভারতের তরফে শহিদ জওয়ানদের সঠিক সংখ্যা স্বীকার করে নেওয়া হলেও সংঘর্ষে ঠিক কতজন চিনা সেনা হতাহত হয়েছিল, তা কিন্তু আজও চিনের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সংঘর্ষে চিনের ৩৬ থেকে ৪৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সে কথা আগাগোড়াই অস্বীকার করেছে চিন।

- Advertisement -

যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে নিলে শি জিনপিং সরকারের মর্যাদায় কালি লাগতে পারে, এমনটা ভেবেই চিন গোপনীয়তা বজায় রেখেছিল বলে দাবি মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তরের। মার্কিন গোয়েন্দারা সেই সময় দাবি করেছিলেন, মৃত সেনাদের দেহ পুড়িয়ে ফেলেছে চিন।

গালওয়ান সংঘর্ষে বাংলার দুই বীর শহিদ হয়েছিলেন। তাঁদের একজন আলিপুরদুয়ার-২ ব্লকের টটপাড়া-২ ব্লকের বিন্দিপাড়ার বিপুল রায়। বিপুলবাবু ভারতীয় সেনার সিগনাল রেজিমেন্টের হাবিলদার পদে কর্মরত ছিলেন। অপরজন বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার বেলগড়িয়া গ্রামের যুবক রাজেশ ওরাং।

১৫ জুন রাতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় রক্তক্ষয়ী ওই সংঘর্ষের পর ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি হয়। ঘটনার পরপর ভারতের তরফে দেশের অখন্ডতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে টিকটক, পাবজি, ইউসি ব্রাউজার সহ একাধিক চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে ঘটনার পর এক বছর কেটে গেলেও এখনও ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়নি।