জম্মু-কাশ্মীরে পড়াশোনা, স্বাস্থ্যের জন্য ২জিই যথেষ্ট: কেন্দ্র

326

নয়াদিল্লি: জম্মু-কাশ্মীরের উপর থেকে গত বছর স্পেশ্যাল স্ট্যাটাস তুলে নেওয়া হয়। তার কয়েকদিন আগে ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যবহার করে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ এনে জম্মু-কাশ্মীরে গত বছর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ইন্টারনেট পরিষেবা।এরপর ফের চলতি বছর ২৪ জানুয়ারি থেকে ফের ইন্টারনেট পরিষেবা শুরু হলেও শুধুমাত্র ২জি পরিষেবা চলছে সেখানে। হাইস্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা কেন শুরু হচ্ছে না, তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। রবিবার জবাব দিয়েছে কেন্দ্র। জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিকে রেড্ডি লোকসভায় জানান, “কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রয়েছে। কেবলের মাধ্যমে এই ইন্টারনেট পরিষেবার পাশাপাশি ২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে মোবাইলেও পরিষেবা চালু রয়েছে। মার্চ মাস থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিকে রেড্ডি আরও বলেন, “কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে ২জি পরিষেবার মাধ্যমেই সাধারণ মানুষ ও স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের সব রকমের বার্তা পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে। তাতে কোনও সমস্যা হচ্ছে না। ২জি পরিষেবাতেই সরকারের ই-লার্নিং ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন ই-লার্নিং অ্যাপ ব্যবহার করতেও কোনও সমস্যা হচ্ছে না। পড়াশোনা সংক্রান্ত অনেক কিছুই ডাউনলোড করা সম্ভব হচ্ছে।”

- Advertisement -

তিনি আরও জানান, জম্মু-কাশ্মীরের ২০টি জেলার মধ্যে দুটি জেলা গান্দেরবাল ও উধমপুরে ৪জি ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয়েছে। যেসব এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই সেখানে হাইস্পিড পরিষেবা চালু করতে সমস্যা নেই। কিন্তু এই পরিষেবা ব্যবহার করে যাতে নাশকতা না ছড়ানো যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন তিনি।

যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর সাফাইয়ে খুশি নন বিরোধীরা। তারা কিন্তু, নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসছে না। তাদের যুক্তি, এভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে মানুষের স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এভাবে গোটা কাশ্মীরজুড়ে হাইস্পিড পরিষেবা না থাকায় ও এতদিন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় সরকারের অনেক লোকসান হয়েছে ও অনেক যুবক-যুবতীরা কাজ হারিয়েছেন।