হাথরাস যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার কেরালার সাংবাদিক সহ ৩

263

নয়াদিল্লি: কেরালা ভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের সহযোগী এক সাংবাদিক সহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের মথুরাতে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার সাথে যোগসূত্রের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। যোগী সরকার নিষিদ্ধ করতে চায় এমন একটি সংগঠন।

পুলিশ এই চারজনকে দিল্লি থেকে হাথরাসে নিয়ে যাচ্ছিল। যেখানে গত মাসে এক ২০ বছর বয়সী তরুণীকে গণধর্ষণ এবং নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।

- Advertisement -

পুলিশ সূত্রে খবর, আতিক উর রেহমান, সিদ্দিক কপ্পান, মাসুদ আহমেদ ও আলম নামে এই চারজন সন্দেহভাজন লোক দিল্লি থেকে হাথরাস যাচ্ছিল। খবর পেয়ে এক টোল প্লাজায় থামানো হয়েছিল তাদের। একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই ব্যক্তিরা প্রকাশ করেছেন যে পিএফআই-এর সহযোগী সংস্থা ক্যাম্পাস ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার সাথে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।

কেরালা ইউনিয়ন অব ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস এক বিবৃতিতে বলেছেন, সিদ্দিক কপ্পান নামে এক সাংবাদিক সোমবার হাথরাসে উপস্থিত হয়েছিলেন। এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখতে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে সম্বোধন করে এক চিঠিতে সাংবাদিক সংগঠন শীঘ্রই তাকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

গত বছর, ইউপি সরকার নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী বিক্ষোভের অভিযোগের সাথে পিএফআইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিলেন। যা বেশ কয়েকটি বিরোধী দল এবং সমালোচকদের দ্বারা ‘মুসলিম বিরোধী’ বলা হয়েছিল।

মামলা পরিচালনার বিষয়ে সমালোচনার মুখোমুখি হয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ হাথরাসের ঘটনার বিষয়ে উনিশটি এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশ রাজ্যে শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ।

একাধিক বিরোধী নেতা যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগের দাবি করার কারণে, মুখ্যমন্ত্রী রবিবার এই বিষয়টি নিয়ে স্পষ্টতই প্রতিদ্বন্দ্বীদের লক্ষ্য করে টুইট করে লেখেন, ‘যারা উন্নয়ন পছন্দ করেন না, তাঁরা জাতিগত এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উস্কে দিতে চান।‘