বর্ধমানের বৈকন্ঠপুরে বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষে জখম ৩

78

বর্ধমান: নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জখম হওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত থাকে গোটা রাজ্য। তারই মাঝে এদিন দুপুরে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের সংঘর্ষ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের বৈকন্ঠপুরে। সংঘর্ষে তিন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা হলেন সুকুমার ঘরুই, সন্তোষী ঘরুই ও ধুলু ঘরুই। চিকিৎসার জন্য তাঁদের উদ্ধার করে দলের অপর কর্মীরা স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়ে যায়। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। তাঁদের দাবি বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে গ্রামবাসীদের। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় জারি রয়েছে পুলিশি টহল।

আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সুকুমার ঘরুই ও সন্তোষী ঘরুই জানিয়েছেন ,’বৃহস্পতিবার দুপুরে তৃণমূল কর্মীরা গ্রামে দেওয়াল লিখন করার সময় তাঁদের উপরে অতর্কিত আক্রমণ চালায় ।এলাকার তৃণমূলের কর্মীরা মাটিতে ফেলে দিয়ে তাদের ব্যাপক মারধর করে । সেই মারধোরেই তারা তিনজন বিজেপি কর্মী জখম হন ।সুকুমার ঘরুই অভিযোগে করে বলেন, ‘বৈকন্ঠপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয়দেব ব্যান্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাদের উপরে হামলা চালানো হয়।’ এই ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছোলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জখম তিন বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি।

- Advertisement -

যদিও বৈকন্ঠপুর ১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির আনা অভিযোগ মানতে চাননি। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সাথে রাজনীতির কোন যোগ নেই। জয়দেববাবু বলেন, ‘গ্রামে একটি ধর্মীয় স্থানকে স্থানীয় কয়েকজন বিজেপি কর্মী দলের কাজে ব্যবহার করছিলেন। গ্রামবাসীরা তারই প্রতিবাদ করেছে মাত্র। নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণের ঘটনা নিয়ে এদিন সকাল থেকে এলাকার তৃণমূলকর্মীরা নানা রাজনৈতিক কর্মসূচীতে ব্যস্ত ছিলেন। তৃণমূলের কর্মীরা মারধোর করেছে বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্য।’