৩০ লক্ষ টাকার চোরাই সেগুনকাঠ উদ্ধার, সাফল্য মোরাঘাট রেঞ্জের 

111

গয়েরকাটা: আন্তঃরাজ্য কাঠ পাচার রুখতে বড় সাফল্য পেল জলপাইগুড়ি বনবিভাগের মোরাঘাট রেঞ্জ দপ্তর। মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মোরাঘাট রেঞ্জের বনকর্মীরা বানারহাট থানার অন্তর্গত তেলিপাড়া চৌপথি থেকে প্রায় ৭০০ সিএফটি সেগুন কাঠ উদ্ধার করেন। দুটি মালবাহী ট্রাকে বোঝাই করে এই কাঠগুলি অসম থেকে কলকাতায় পাচার করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় কাঠ উদ্ধারের পাশাপাশি শেখ রহমান আলি নামে এক ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে বনদপ্তর। পাশাপাশি, দুটি মালবাহী ট্রাককে আটক করা হয়েছে। পুরো অভিযানের নেতৃত্ব দেন মোরাঘাট রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার রাজ কুমার পাল।

বনদপ্তর সূত্রে খবর, উদ্ধার করা কাঠের বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। গোপন সূত্রে তাদের কাছে খবর আসতেই তেলিপাড়ায় এদিন ওতপেতে বসেছিলেন বনকর্মীরা। এদিন রাত ২টা নাগাদ কাঠ বোঝাই ট্রাক দুটি তেলিপাড়ায় আসতেই তাদের থামান বনকর্মীরা। গাড়ি থামাতেই একটি ট্রাকের চালক সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। যদিও অপর ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেন বনকর্মীরা। এদিন তাকে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হলে বিচারক ৭ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। দুটি ট্রাক সমেত উদ্ধার করা কাঠগুলি গয়েরকাটার মোরাঘাট রেঞ্জ অফিসে মজুত রাখা হয়েছে।

- Advertisement -

মোরাঘাট রেঞ্জ অফিসার রাজ কুমার পাল বলেন, ‘চোরাই সেগুন কাঠগুলিকে অসম থেকে দুটি ট্রাকে করে কলকাতা পাচার করা হচ্ছিল বলে আমাদের কাছে খবর আসে। সেই মোতাবেক তল্লাশি চালিয়ে আমরা মঙ্গলবার গভীর রাতে তেলিপাড়া চৌপথি থেকে দুই ট্রাক বোঝাই চোরাই সেগুন কাঠ উদ্ধার করি। এই ঘটনায় ১ জন চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে জেরা করে এই চক্রের মূল পাণ্ডার হদিস পাওয়া যায় কিনা দেখা হচ্ছে।’

জলপাইগুড়ির ডিএফও মৃদুল কুমার বলেন, ‘আন্তঃরাজ্য কাঠ পাচারের ক্ষেত্রে মোরাঘাট রেঞ্জ বড় সাফল্য পেয়েছে। কাঠের চোরা কারবারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান জারি থাকবে।’