ভূমিপূত্র প্রার্থী না পেয়ে বিজেপিতে যোগ

162

চাঁচল: শাসকদলে চাঁচল থেকে প্রার্থী পাননি।প্রার্থী হয়েছেন মালদা শহরের বাসিন্দা। তাই ভূমিপুত্র প্রার্থী না হওয়ায় টিএমসিপির একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।তাই শনিবার ক্ষোভের দরুন শাসকদল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন টিএমসিপির প্রায় তিরিশজন সদস্য।এদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনের চাঁচল-১ ব্লক সম্পাদক বুবাই সাহাও। বুবাই সাহার নেতৃত্বে ও বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর রামের হাত ধরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে তাঁরা সকলে বিজেপি দলে যোগদান করেন।

সদ্য টিএমসিপি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করে বুবাই সাহা (টিএমসিপির চাঁচল-১ ব্লক সম্পাদকের দায়িত্ত্বে ছিলেন) প্রতিক্রিয়ায় জানান,একমাত্র চাঁচলের উন্নয়নের লোকাল প্রার্থী দরকার ছিল।শাসকদলে যেহেতু লোকাল প্রার্থী হয়নি তাই আমরা সকলে বিজেপিতে যোগদান করেছি। এক কথায় ভূমিপুত্র প্রার্থী না পেয়েই তাঁরা বিজেপিতে যোগদান করেছে। বুবাই সাহা বলেন, ‘নীহারবাবু বহিরাগত প্রার্থী। মালদায় বাড়ি। উনি জিতলে বেশিরভাগ সময়ই মালদায় থাকবেন।কোনো কাজে পড়লে চাঁচলের বাসিন্দাদের ছুটে যেতে হবে মালদায়। নীহারবাবু জিতলে চাঁচলের বাসিন্দাদের খুব একটা লাভ হবে না। সেদিক থেকে বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর রাম চাঁচলের ভূমিপুত্র।তিনি জিতলে যখন তখন পাওয়া যাবে। বিজেপির হাত শক্ত করতেই তাঁরা টিএমসিপি ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন।’

- Advertisement -

এদিকে ভূমিপুত্র প্রার্থী হতেই বিজেপি কর্মীরা রয়েছে উচ্ছাসে। তারই মধ‍্যে প্রার্থীর হাত শক্ত করতে বিজেপিতে যোগদান করল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা। উল্লেখ‍্য, শুক্রবার সন্ধ্যায় চাঁচলের বিজেপি সাংসদের কার্যালয়ে ওই যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়ে বলে বিজেপি সূত্রে জানানো হয়। বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর রাম বলেন, ‘শুধু ছাত্ররা নই, আমি স্থানীয় প্রার্থী হয়েছি তাই সংখ‍্যালঘুরাও আমার সাথে যোগাযোগ রাখছেন।’ তাঁরা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত তাই হয়ত ন‍্যায় পেতেই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিবে বলে আশাবাদী দীপঙ্কর রাম। চাঁচল বিধানসভায় পদ্মফুল ফোঁটাতে সবাই এগিয়ে আসছে বলে বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর রাম দাবি করেছেন।

টিএমসিপির চাঁচল-১ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি গোলাম মোস্তফা ওরফে (রকি) বিজেপিতে যোগদানের বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করে বলেন, ‘যারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছে তারা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কেউই নয়। ওরা কেউ কলেজে পড়ে না। সব স্কুল ছাত্র। অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের যোগদান করানো হয়েছে বলে সাফ অভিযোগ গোলাম মোস্তফা ওরফে রকির। তবে যে যায় বলুক চাঁচল বিধানসভায় এবার ঘাসফুল ফুটবে।’