এসপি অফিসে ঢুকে মহিলা পুলিশ আধিকারিককে মারধর, ধৃত ৪

106

আলিপুরদুয়ার: থানায় ঢুকে কর্তব্যরত এক মহিলা পুলিশ আধিকারিককে মারধরের অভিযোগ উঠল চার যুবকের বিরুদ্ধে। এমনকি তা মোবাইল বন্দি করলেন আরেক অভিযুক্ত। ঝাঁ চকচকে এসপি অফিসের চার দেয়ালের ভিতরে সাইবার ক্রাইম থানায় এমন ঘটনায় স্তম্ভিত পুলিশ আধিকারিকরাদের একাংশ। অভিযুক্তরা কিভাবে দিনদুপুরে থানায় ঢুকে কর্তব্যরত এক মহিলা পুলিশ আধিকারিককে মারধর করার সুযোগ পেল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এদিন দুপুরে সাইবার ক্রাইম থানায় কয়েকজন পুলিশ কর্মী কর্তব্যরত ছিলেন। ছিলেন দুই মহিলা পুলিশ কর্মীও তখনই এক মহিলা আধিকারিকের উপর চড়াও হয় অভিযুক্তরা। মাটিতে ফেলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। ফালাকাটার বাসিন্দা এক কলেজ ছাত্রীর নামে ফেসবুকে ফেক প্রোফাইল তৈরি করে এক অভিযুক্ত। তাতে অশ্লীলতার অভিযোগে তুলে ওই ছাত্রীর পরিবার আলিপুরদুয়ার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নেমে সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ কোচবিহারের পুন্ডিবাড়ি এলাকায় এক অভিযুক্ত যুবকের হদিস পায়। তারপর ওই অভিযুক্তকে আলিপুরদুয়ার সাইবার ক্রাইম থানায় ডাকা হয়। না আসলে অভিযুক্তকে ফোন করা হয়। এদিন ওই অভিযুক্ত চারজন সঙ্গীকে নিয়ে দুপুর নাগাদ আলিপুরদুয়ার সাইবার ক্রাইম থানায় আসে। তখন ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিক অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। সেই সময় তাঁকে অভিযুক্ত ও তার চার সঙ্গী মারধর শুরু করে। এমনকী সেই ঘটনার ভিডিও করা হয়। ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিকের চিৎকার শুনে অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা সেখানে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করেন। সঙ্গে চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তরা সকলে কোচবিহারের পুন্ডিবাড়ির  বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার ভোলানাথ পান্ডে বলেন, ‘অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

- Advertisement -