জলপাইগুড়িতে ৪০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ

618
ফাইল ছবি।

জলপাইগুড়ি: ২৪ ঘন্টায় জলপাইগুড়ি জেলায় নতুন করে ৪০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে।  এদের মধ্যে রাজগঞ্জ ব্লকের ৬ জন এবং জলপাইগুড়ি পুর এলাকার ৩ জন রয়েছেন। নতুন করে ৪০ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় জেলায় সংক্রামিতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৬৭।

জলপাইগুড়ি শহরে নতুন করে তিনজন সংক্রামিত হয়েছেন। বুধবার রাতে ওই তিনজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এদের মধ্যে একজন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার লেনের বাসিন্দা। এছাড়া ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক ব্যাংককর্মী ও তাঁর স্ত্রীর শরীরেও করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তাঁরা শিল্প সমিতি পাড়ার একটি বহুতলে থাকেন। ওই ব্যাংককর্মী শহরের কামারপাড়া এলাকার একটি ব্যাংকে কর্মরত। তিনি সংক্রামিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ নোটিশ জারি করে এদিন ব্যাংক বন্ধ রেখেছেন। সংক্রামিত তিনজনকে বুধবার রাতেই জলপাইগুড়ির কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই তিনজনকে নিয়ে জলপাইগুড়ি শহরে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬।

- Advertisement -

অন্যদিকে, এদিন বিকেলে জলপাইগুড়ি পুরসভায় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে শহরের কন্টেনমেন্ট জোন এবং লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে  বৈঠক হয়। প্রশাসন সূত্রের খবর, বর্তমানে শহরে পাঁচটি অ্যাকটিভ কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে। কনটেনমেন্ট জোনের এলাকা কতটা হবে, সেবিষয়ে এদিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।

অন্যদিকে, প্রতিবেশী শহর শিলিগুড়িতে যেভাবে সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়ছে সেদিকে নজর রেখে আগাম সতর্ক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জলপাইগুড়ি পুরসভা এবং প্রশাসন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শহরের সমস্ত বাজার এবং দোকান সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল জানান, কনটেনমেন্ট জোন কতটা এলাকা জুড়ে হবে, তা সেই এলাকার পরিস্থিতির ওপর বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সার্বিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, শহর এলাকার বাজার সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত খোলা রাখা হবে। এবিষয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির সঙ্গে বসে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আগামী সোমবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, এদিন রাজগঞ্জ ব্লকে নতুন করে ছয়জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ মিলেছে। এদের মধ্যে চারজন বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহুডাঙ্গি এলাকার বাসিন্দা। অপর দুজন ডাবগ্রাম দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা।