চাঁদেও মিলবে ৪জি পরিষেবা

ওয়াশিংটন : চাঁদে জমি কেনা, বাড়ি বানানোর ইচ্ছে থাকলেও এতদিন বাধা ছিল যোগাযোগ। এবার সেই ভ্রূকুটিও দূর হতে চলেছে। আপনার শোবার ঘরে মাঝে মাঝে ৪জি নেটওয়ার্ক না থাকলেও, এবার থেকে চাঁদে মিলবে ৪জি পরিষেবা। আর চাঁদের মাটিতে এই পরিষেবা চালুর জন্য নাসা নোকিয়াকে দিচ্ছে প্রায় ১৪.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মহাকাশ সম্পর্কিত আধুনিক গবেষণার উন্নয়নের জন্য নাসার টিপিং পয়েন্ট প্রকল্পের অধীনে স্বাক্ষরিত ৩৭০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তির অংশ হিসেবে এই টাকা খরচ করা হবে। চুক্তির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে নাসা জানিয়েছে, বহুদূর থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠে যোগাযোগের এই পরিষেবা সহায়ক হবে এবং বর্তমান ব্যবস্থার তুলনায় অনেক বেশি গতিশীল এবং নির্ভরযোগ্য হবে। ইউনাইটেড স্পেস ইন্টারন্যাশনালে সরাসরি সম্প্রচার হওয়া একটি অনুষ্ঠানে নাসার প্রশাসক জিম ব্রাইডেনস্টাইন বলেন, আমাদের সংস্থা খুব দ্রুত চাঁদে থেকে কাজ করার মতো উপযুক্ত পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কাজ করছে। আমাদের লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে যাতে মহাকাশচারীরা চন্দ্রপৃষ্ঠে থেকেই কাজ করতে পারেন। তিনি বলেন, আমাদের এমন শক্তিশালী ব্যবস্থা প্রয়োজন যা দীর্ঘ সময়ে জন্য চাঁদের মাটিতে কাজ করতে পারবে এবং যা চন্দ্রপৃষ্ঠে বাসস্থানের উপযুক্ত হবে।

- Advertisement -

নোকিয়ার গবেষকদল টুইটারে বিশদ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির চন্দ্রপৃষ্ঠে ওয়্যারলেস পরিষেবা, নেভিগেশন এবং ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক সাপোর্ট দেবে। বেল ল্যাবস একটি টুইটে জানিয়েছেন, চন্দ্রপৃষ্ঠে হাই ডেফিনেশন ভিডিও স্ট্রিমিং, সঠিক সময় নেভিগেশন, তথ্য সঞ্চারের ক্ষেত্রে, চাঁদের মাটিতে নামা ব্যক্তিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আমরা আমাদের সঙ্গীদের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে কাজ করব। যদিও এটা চন্দ্রপৃষ্ঠে এলটিই নেটওয়ার্ক চালু করার ক্ষেত্রে নোকিয়ার প্রথম পদক্ষেপ নয়। এর আগে তারা ২০১৮ সালে জার্মান স্পেস কোম্পানি পিটিএস সায়েন্টিস্ট-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করার পরিকল্পনা করেছিল এবং যে জায়গায় অ্যাপোলো-১৭ পা ছুঁয়েছিল, সেই জায়গায় ভোডাফোন-ইউকে এলটিই নেটওয়ার্ক চালুর চেষ্টা করেছিল, যদিও তা কখনোই কার্যকর হয়নি।