সাতসকালে সুলকাপাড়ায় চিতাবাঘের হানা, জখম ৫

153
চিতাবাঘটিকে কাবু করার চেষ্টায় বনকর্মীরা।

নাগরাকাটা: চিতাবাঘের আক্রমণে জখম হলেন ৫ গ্রামবাসী। মঙ্গলবার সকালে নাগরাকাটার সুলকাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন খয়েরবাড়ি এলাকার গুরুংখাস গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আহতদের নাম রাকেশ সোনার (২৫), জীবন সোনার (৩৮), পাসাং তামাং (৫৮), লুৎফর রহমান ( ৩০) এবং বিজয় ওরাঁও (২৩)।তাঁদের সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বনদপ্তরের খুনিয়া রেঞ্জ ও সুলকাপাড়া বিটের বনকর্মীরা অনেক চেষ্টার পর ঘুমপাড়ানি গুলিতে চিতাবাঘটিকে কাবু করেন। খুনিয়ার রেঞ্জার রাজকুমার লায়েক বলেন, ‘চিতাবাঘটিকে লাটাগুড়ি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।’

সাতসকালে সুলকাপাড়ায় চিতাবাঘের হানা, জখম ৫| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

- Advertisement -

স্থানীয় ও বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কাকভোরে হঠাৎই ডায়নার জঙ্গল থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘ গ্রামে ঢুকে পড়ে। রাকেশ সোনার নামে এক ব্যক্তির গোয়ালে ঢুকে ৩টি ছাগল মেরে ফেলে। বিষয়টি টের পেয়ে রাকেশ তাঁর তিন বছরের সন্তানকে কোলে নিয়ে গোয়ালের সামনে যান। সেসময় বুনোটি তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাঁর আর্তনাদ শুনে দাদা জীবন সোনার সেখানে এলে চিতাবাঘটি তাঁকেও আক্রমণ করে। প্রশান্ত তামাং নামে এক অবসরপ্রাপ্ত বনকর্মী জীবনকে চিতাবাঘের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে জন্তুটি তাঁর ওপর হামলা চালায়। সবথেকে বেশি জখম হয়েছেন পাসাং তামাং।

এরপর একে একে চিতাবাঘের আক্রমণে জখম হন বিজয় ওরাওঁ ও লুৎফর রহমান নামে আরও দুজন। প্রত্যেককেই চিকিৎসার জন্য সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পাসাংকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়। ৫ জনকে জখম করার পর বুনোটি গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ে আশ্রয় নেয়। সেসময় বনকর্মীরা জাল দিয়ে এলাকাটিকে ঘিরে ফেলেন। পরে ঘুমপাড়ানি গুলিতে বুনোটিকে কাবু করা হয়। এদিন চিতাবাঘ বেরোনোর খবর শুনে প্রচুর মানুষ এলাকায় ভিড় জমান।