ক্যানসার নিরাময়ে নির্যাস আবিষ্কার করার পেটেন্ট পেলেন ৫ অধ্যাপক

162

রায়গঞ্জ: ডি গ্লুকোজ থেকে নির্যাস বের করে ক্যানসার আক্রান্ত কোষ নির্মূল করতে গবেষণার কাজ শুরু করেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক সহ মোট ৫ জন। ক্যান্সার চিকিৎসার বিপুল খরচের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতেই তাদের সেই উদ্যোগ ছিল। তাদের এই গবেষণার সাফল্য আগামী দিনে সাধারণ মানুষের ক্যানসার নিরাময়ে যথেষ্ট সহায়তা করবে। প্রাথমিকভাবে ক্যানসার ধরা পড়লে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই সাধারণ মানুষকে অল্প খরচে ক্যানসার নিরাময়ে চিকিৎসা দিতে ডি গ্লুকোজের উপর ২০১৬ সালে গবেষণা শুরু করেন পাঁচ অধ্যাপক। দীর্ঘ গবেষণার পর ২০২০ সালে তাঁরা তাদের আবিষ্কৃত নির্যাসের উপর পেটেন্ট পান।

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরিকালচার বিভাগের অধ্যাপক ডা. অমিত কুমার মণ্ডল সহ পাঁচ অধ্যাপক ডি গ্লুকোজের উপর ২০১৬ সালে গবেষণার কাজ শুরু করেন। অধ্যাপক ড.অমিত কুমার মণ্ডল জানান, তাদের গবেষণায় সহযোগী গবেষক হিসেবে ছিলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক অমিয় কুমার পাণ্ডা ও ড. মইদুল হোসেন, তার্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেনিশ ইলমাজ এবং শালবনী সরকারি জেনারেল ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক ড.ঈপ্সিত কুমার সেন।

- Advertisement -

তাঁর দাবি, আগামী দিনে ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হলে এই গবেষণার সাফল্য সাধারণ মানুষকে ক্যানসার নিরাময়ে যথেষ্ট সহায়তা করবে। ইতিমধ্যে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ অধ্যাপক ক্যানসার নিরাময়ে তুঁত পাতার গবেষণার উপর গবেষণা শুরু করেছেন। তাদের দাবি, তুঁত গাছের পাতার নির্যাস থেকে প্রাপ্ত জৈব উপাদানের মাধ্যমে সিলভার নাইট্রেট ভেঙে, সিলভার ন্যানো পার্টিক্যাল বানিয়ে মানবদেহ থেকে ক্যানসার আক্রান্ত কোষ নির্মূল করা সম্ভব।

তাদের গবেষণার কাজ অনেকটাই এগিয়েছে এবং পেটেন্টের জন্য আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। অধ্যাপক অমিত মণ্ডল জানান, মানবদেহে প্রয়োগ না করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে সাফল্য মিলেছে।সেমিকন্ডাক্টর সামগ্রীর সমন্বয়ে তৈরি কোয়ান্টাম-কনফাইনমেন্ট বৈশিষ্টযুক্ত ন্যানোস্কেল পার্টিকুলেট সমূহ যাদের মাত্রা ২-১০ ন্যানোমিটার, তারা কোয়ান্টাম ডটস নামে পরিচিত। তাঁর দাবি, এই কার্বন ডটস সমূহ প্যাথোজেনিক মাল্টিপল ড্রাগের প্রতিরোধী জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকরী এবং সঙ্গে সঙ্গে ক্যানসার প্রতিরোধী থেরাপিউটিক এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতে সক্ষম।