৬ আল-কায়দা জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ এনআইএ’র, আবু সুফিয়ানের বাড়িতে মিলল সুড়ঙ্গ

600

কলকাতা: মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে শনিবার ৬ সন্দেহভাজন আল-কায়দা জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। রবিবার বিধাননগরে এনআইএ’র দপ্তরে তাদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানে এনআইএ’র কর্তারা ছাড়াও হাজির ছিলেন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের গোয়েন্দারা। এছাড়া কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এনআইএ সূত্রের খবর, জেরার মুখে পড়ে জঙ্গিরা আল-কায়দার সঙ্গে তাদের যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে। সেই সঙ্গে ধৃতরা জানিয়েছে, পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা আল-কায়দার শীর্ষ নেতাদের নির্দেশ মতোই তারা কাজ করত। ধৃতদের অন্যতম কাজ ছিল, টাকা জোগাড় এবং তাদের সংগঠনের জন্য লোক সংগ্রহ করা। তারা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় কুড়ি জনকে নিয়োগ করেছে। এবার ওই কুড়ি জনের খোঁজ শুরু করেছে এনআইএ।

- Advertisement -

অন্যদিকে, ধৃত জঙ্গি আবু সুফিয়ানের বাড়িতে একটি সুড়ঙ্গের খোঁজ মিলেছে। এছাড়া বাকি জঙ্গিদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাদের সঙ্গে কাশ্মীরের জঙ্গি সংগঠনের কিছু নেতার যোগাযোগের প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া থানা এলাকা থেকে তানিয়া পারভিন নামে এক মহিলা জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছিল। এর আগে আমেদাবাদে বিস্ফোরণের ঘটনায় গুজরাট পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল আব্দুর রাজ্জাক নামে একজনকে।

গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশকিছু তথ্য উঠে এসেছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে তদন্তকারী দল মনে করছে।

এদিকে, মইনুল মন্ডল, ইরান আহমেদ, আল মাহমুদ কামাল, আবু সুফিয়ান, নাজমুল সাকিব ও আতিউর রহমান নামে ওই ৬ জঙ্গিকে কলকাতায় এনে ব্যাঙ্কশালের বিশেষ আদালতে তোলা হয়েছিল। এনআইএ’র আইনজীবীর বক্তব্য শুনে বিচারক তাদের আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিনের মধ্যেই ধৃতদের দিল্লির পাতিয়ালা কোর্টে তুলতে হবে। এরপর তাদের ফের ২৮ সেপ্টেম্বর কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ আদালতে পেশ করতে হবে।