থানায় ভাঙচুর ও পুলিশকে মার, গ্রেপ্তার ৭ বিজেপি কর্মী

289

বর্ধমান: প্রতিবাদ জানানোর নামে থানায় ভাঙচুর ও পুলিশের উপর হামলা চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ৭ বিজেপি নেতা-কর্মী। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানা চত্ত্বর থেকেই ধৃতদের পুলিশ গ্রেপ্তার করে। শনিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে ভারপ্রাপ্ত সিজেএম মণিকা চট্টোপাধ্যায়(সাহা) ৭ আগষ্ট পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেপাজতের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, মেমারি থানার মোষপুকুর এলাকায় বসবাস করেন দেবাশিস মালাকার। তিনি পিকনিকের টাকা দিতে চাননি বলে তাঁকে মারধর করা হয়। দেবাশীষ মালাকারকে মারধোরের অভিযোগে মেমারি থানার পুলিশ জগাই কর্মকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে ৫০-৬০ জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক মেমারি থানার মূল গেটের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তারা তাঁদের দলের সমর্থকের মুক্তির দাবি জানাতে থাকে।

- Advertisement -

পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ চলাকালীন বিজেপি কর্মীরা পুলিশকে উদ্দেশ্যকরে গালিগালাজ করা শুরু করে। থানা চত্ত্বর থেকে চলে যেতে বলায় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু করেদেয়। পরে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোঁড়া শুরু করে ও পুলিশকে লাঠি দিয়ে পেঠায়। পুলিশের গাড়ি লক্ষ করে পাথর ছোঁড়ে। এরফলে পুলিশের দুটি গাড়ির সামনের কাঁচ ভেঙে যায়। পুলিশের কয়েকজন আহত হয়। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পুলিশ লাঠি চার্য করে বিক্ষেভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেদেয়।‘ একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয় বলে জানাগেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম প্রশান্ত দাস, অমরেশ মজুমদার, গুরুদাস রায়, জয়ন্ত বিশ্বাস, সৌতি রায়, স্বপন রুইদাস ও তারক মাঝি। ধৃতরা মেমারি থানার আমাদপুর, দেবীপুর, মহেশডাঙা ৩ নম্বর ক্যাম্প, তাতারপুর ও কদমপুকুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে ৫টি লাঠি, লোহার রড, পাথর, ৮টি বাইক মিলেছে।