মাল শহরে করোনা আক্রান্ত আরও ৭

মালবাজার: মাল শহরে নতুন করে আরও ৭ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন।

মাল পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ৭ জনের মধ্যে একজন মালবাজারের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চিকিৎসক। হাসপাতাল চত্বরের বাসিন্দা একজন পুরুষ এবং মহিলারও করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এছাড়া সোমবার রাতে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একজন মহিলার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৬৫ বছর বয়সী একজন প্রবীণ ব্যক্তিও করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের একজন ৮১ বছর বয়সী মহিলাও করোনা সংক্রমিত হন। তাঁর শ্বাসকষ্ট ছিল। তাঁকে মাল হাসপাতাল থেকে জলপাইগুড়ির কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

- Advertisement -

পুরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ডের আক্রান্তদের বাড়ির এলাকা স্যানিটাইজেশন করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মাল শহরে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪। এদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অন্যান্য আক্রান্তরা সেফ হোম, কোভিড হাসপাতাল এবং হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। এদিকে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের বেশ কয়েকজনের লালা পরীক্ষার ফল পর্যায়ক্রমে করোনা পজিটিভ এসেছে। এই সমস্ত কর্মীদের হাসপাতাল চত্বরের অব্যবহৃত আবাসে পৃথকভাবে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের নির্দেশ মোতাবেক মাল শহরে ৩০ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন জারি আছে। অন্যদিকে, মাল ব্লক প্রশাসন এবং ব্লক স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে মেটেলির আইটিআইতে সেফ হোম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। করোনা পজিটিভ রোগীদের চিকিৎসার জন্য সেফ হোম ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ইতিমধ্যে মেটেলি ব্লকের টিয়াবনের যুব আবাসে সেফ হোম চলছে। এবার মেটেলি ব্লকের আইটিআইতে আরেকটি সেফ হোম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আইটিআইয়ের সেফ হোমটি মাল ব্লক প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হবে। মালের বিডিও বিমানচন্দ্র দাস, বিএমওএইচ ডা: প্রিয়াঙ্কু জানা, মাল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাশীষ চক্রবর্তী, মেটেলি থানার ওসি মুরারীমোহন সাহা প্রমুখ সোমবার আইটিআই পরিদর্শন করেছেন। আগে এই আইটিআইতেই কোয়ারান্টিন কেন্দ্র ছিল। আপাতত আইটিআই কেন্দ্রটিতে ৫০ জনকে রাখার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। তাঁদের সুষম খাদ্য সহ অন্যান্য সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মালের বিডিও বিমানচন্দ্র দাস বলেন, ঊর্ধ্বতন মহলের নির্দেশ পেলে কেন্দ্রটি চালু করা হবে।