বাজেয়াপ্ত বালি বোঝাই ৮টি ট্রাক, ধৃত ৮

191

বর্ধমান: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পর অবৈধ বালির কারবার বন্ধে অভিযান আরও জোরদার করল পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। শনিবারের পর ফের রবিবার অভিযান চালিয়ে বর্ধমান ও মেমারি থানার পুলিশ ৮টি বালি বোঝাই
লরি বাজেয়াপ্ত করেছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে লরির চালক ও খালাসীদের। শনিবার জেলার জামালপুর থানার পুলিশ ১০টি এবং বর্ধমান পুলিশ ৩টি বালি বোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করেছিল। পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, এই অভিযান জারি থাকবে।

পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার রাতে বর্ধমানের উল্লাসমোড় সংলগ্ন এলাকারয় ৪টি বালি বোঝাই লরির আটক করে পুলিশ। লরিগুলি গলসি থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল বলে খবর। যদিও লরি চালকদের কাছে বৈধ কোনও নথি না থাকায় লরিগুলি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি চালকদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা প্রভাত মণ্ডল, বিষ্ণু রায়, রাজেশ যাদব ও হরিন্দর চৌধুরি। ধৃতরা হুগলির বলাগড়, পাণ্ডুয়া, উত্তর ২৪ পরগণার বরানগর ও কলকাতার ওয়াটগঞ্জ থানা এলাকার বাসিন্দা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, অবৈধভাবে খাদান থেকে বালি তুলে তা চড়া দামে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

- Advertisement -

একই রাতে জেলার মেমারি থানার পুলিশ দলুইবাজার ও রসুলপুরের মাঝামাঝি জায়গায় নাকাচেকিং চালিয়ে ৪টি বালি বোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করে। ৩টি লরির চালক ও একটি লরির খালাসিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা রাজু মণ্ডল, মহম্মদ সাইফুল লস্কর, সাহাবুল খান ও সুমিত কুমার যাদব। ধৃতরা দক্ষিণ ২৪ পরগণার কুলতুলি, বীরভূমের লোকপুর ও বিহারের ভাগলপুরের বাসিন্দা। মেমারি থানার পুলিশ দাবি করেছে, বালি বহনের বৈধ কোনও কাগজপত্র লরি চালকরা দেখাতে পারেনি।

সোমবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। সিজেএম ধৃতদের জামিন খারিজ করে বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।