প্রাক্তন সিআরপিএফ ও অবসরপ্রাপ্ত অফিসারের বাড়িতে হামলা, ধৃত ৮

92

বর্ধমান: সিআরপিএফের প্রাক্তন অফিসার ও কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অফিসারের বাড়িতে হামলার ঘটনায় পুলিশের জালে ধড়া পড়ল ৮ জন। ঘটনা দুটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার রুকাসপুর ও বর্ধমান শহরের মিঠাপুকুর এলাকায়। সিআরপিএফের প্রাক্তন অফিসারের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে মেমারি থানার পুলিশ মোস্তাফা মণ্ডল, রঞ্জন দাস ও সৌগত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা রুকাসপুরের বাসিন্দা। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অফিসারের বাড়িতে হামলার অভিযোগে বর্ধমান থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে শেখ জাহির, শেখ স্বপন, শেখ সুরজ, নজরুল শেখ ও শেখ শাহ আলম। ধৃতরা বর্ধমান শহরের বাসিন্দা। দুই থানার তরফে গ্রেপ্তার হওয়া ধৃতদের বুধবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, সিআরপিএফের প্রাক্তন অফিসার খোকনচন্দ্র বৈরাগ্য কর্মসূত্রে বর্ধমানে থাকেন। মঙ্গলবার তিনি রুকাসপুরের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ওইদিন রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কয়েকজন দুষ্কৃতী শাবল, বাঁশ, টাঙি নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। ঘরের দরজা ভাঙার চেষ্টা করে। তাতে সফল না হলে বৈঠকখানার ছাউনি ভেঙে দেয়। বাড়ির বাইরে থাকা একটি চারচাকা গাড়িও ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর দুষ্কৃতীরা আশপাশের আরও কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন খাকনবাবু। অন্যদিকে সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ বর্ধমান শহরের মিঠাপুকুর হঠাৎ কলোনির বাসিন্দা তথা কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অফিসার তপন কুমার দাসের বাড়িতে কয়েকজন হামলা চালায়। তাঁকে মারধর করা হয়। ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। মারধরে আহত হন তপনবাবু। ঘটনার প্রেক্ষিতে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

- Advertisement -

উভয় ঘটনায় পৃথকভাবে পৃথক দুই থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সিআরপিএফের প্রাক্তন অফিসারের বাড়িতে ভাংচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে মেমারি থানার পুলিশ। অন্যদিকে মিঠাপুকুর হঠাৎ কলোনির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।