করোনা যুদ্ধে জয়ী চার বছরের শিশু সহ ৯

250

বিশ্বজিৎ সরকার, রায়গঞ্জ: করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরলেন চার বছরের এক শিশু। তাঁকে সম্মান জানালেন কমলাবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের ছটপাড়ুয়া কোভিড হাসপাতলের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও ফার্মাসিস্টরা। করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর মাও। রবিবার মায়ের সঙ্গে তাঁকেও করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানালেন সকলে। পাশাপাশি, রায়গঞ্জের কোভিড হাসপাতাল থেকে এদিন ৯ জন করোনা জয়ী বাড়ি ফিরলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জেলা পুলিশ লাইনের কনস্টেবল, আশাকর্মী, ভিন রাজ্য ফেরত এক শ্রমিক।

একের পর এক করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরায় উচ্ছ্বসিত শহরের বাসিন্দারা। কোভিড হাসপাতালের সুপারনটেনডেন্ট দিলীপ কুমার গুপ্তা বলেন, ‘৬০ বছরের এক বৃদ্ধা কোভিড পজিটিভ ছিল।‌ তার বাইপাস সার্জারি হয়েছে, থাবা বসিয়েছে ডায়াবেটিসও ওই কোভিদ পজেটিভ রোগীর ইমিউনিটি খুব কম ছিল। কিন্তু মনের অসীম জোর ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্যকর্মী ফার্মাসিস্টদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বৃদ্ধার এই লড়াই করোনা আবহে আমজনতাকে অনেকটাই ভরসা জোগাবে বলে আশাবাদী দিলীপ কুমার গুপ্তা।

- Advertisement -

রায়গঞ্জ কোভিড হাসপাতালের নার্সিং সুপারেনটেনডেন্ট বাপি বিশ্বাস বলেন, ‘এই নিয়ে মোট ২২৩ জনকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরানো হলো। এই সফলতার পেছনে রয়েছে আমাদের টিম ওয়ার্ক। কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসকদের বক্তব্য, প্যারাসিটামল, এজিথ্রোমাইসিন সহ আইসিএমআরের গাইডলাইন মেনে ন্যূনতম ঔষধে চিকিৎসা হয়েছে। তাতেই ফল মিলেছে। এদিন ৯ জন করোনা জয়ীকে ফুল, মিষ্টির প্যাকেট ও ঔষধ দিয়ে সংবর্ধনা জানায় কোভিগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এদিন সন্ধ্যে ছটা নাগাদ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন করোনা যুদ্ধে জয়ীরা। কোভিদ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে আটজন স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় দিন কয়েকের মধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হবে বলে কোভিড হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রবীন্দ্রনাথ প্রধান বলেন, ‘প্রত্যেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আইসিএমআরের প্রটোকল অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে।’