অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৯

139

চ্যাংরাবান্ধা: সীমান্তের কাটাতার পেড়িয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার অভিযোগে আটজন বাংলাদেশী নাগরিক সহ এক ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করল মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ। বুধবার কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত ভিআইপি মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে। মেখলিগঞ্জ থানার ওসি ভাস্কর রায় জানান, ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে খবর ধৃতরা, ফারুক(২৬), তরিকুল ইসলাম(২২), নাহির হাসান(২১), মহম্মদ নিজামুদ্দিন(১৮), রাজীব হক(২৫), লতিফ আলী(২০), আফ্রুজা বেগম(২৫) এবং তাঁর ৪ বছরের পুত্র সন্তান। প্রথম জন ভারতীয় নাগরিক বলেই খবর। তিনি এ রাজ্যের উত্তরদিনজপুর জেলার বাসিন্দা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে একসঙ্গে এতজন বাংলাদেশের নাগরিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।তবে কি উদ্দেশ্যে তারা ভারতে ঢোকেন সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট হয়নি। তদন্তের স্বার্থে এনিয়ে পুলিশ কর্তারাও তেমন কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

- Advertisement -

উল্লেখ কয়েক সপ্তাহ আগে চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তের ভিআইপি মোড় থেকেই আটজন বাংলাদেশী নাগরিক সহ এক ভারতীয় নাগরিকে গ্রেপ্তার করেছিল সীমান্তের বিএসএফ। যারা কুচলিবাড়ি থেকে একটি বাসে আসছিলেন। পরে কাজের খোঁজে তারা রাজস্থানে পাড়ি দিয়েছিলেন। সেখানে শ্রমিকের কাজ করতেন। লকডাউনের জেরে তারা কয়েকমাস পূর্বে আবার চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। কাজের খোঁজে পুনরায় তারা ভারতে ঢোকেন কুচলিবাড়ি সীমান্ত দিয়ে। ভারতে ঢোকার পর তারা সীমান্তের কোথাও আশ্রয় নেন। তবে এরজন্য ভারতীয় দালালদের সহায়তা তারা নিয়েছিলেন বলেই খবর। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওইদিন চ্যাংরাবান্ধা ভিআইপি মোড় থেকে তাদের ধরা হয়েছিল। বারংবার এই ধরণের ঘটনায় অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে সীমান্তে বিএসএফের কড়া নজরদারি এবং কাঁটাতারের বেড়া থাকা সত্বেও অবৈধভাবে পারাপারের চেষ্টা চলছে এখনও। যদিও বিএসএফের তরফেও জানানো হয়েছে সীমান্তে সর্বদাই তাদের কঠোর নজরদারি রয়েছে।