মাঝ নদীতে ঠায় দাড়িয়ে ব্য়ক্তি! কিন্ত কেন?

102

রাজগঞ্জ: ঠায় দাঁড়িয়ে মাঝ নদীতে। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তির দিকে সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দিতে দেখা যায়নি কাউকেই। এমনকি কেউ জানার চেষ্টাও করেননি মাঝ নদীতে পৌঁছোলেন কীভাবে? অনেকেই দূর থেকে বিষয়টি নজরবন্দি করেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। কেউ আবার, উপভোগ করেছেন বিষয়টি। শেষ অবধি পুলিশি তৎপরতায় মাঝ নদী থেকে উদ্ধার হল ওই ব্যক্তি। খোঁজ মিলল পরিবারের। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তির নাম নকুল লাহা। তবে, ওই ব্যক্তি কীভাবে মাঝ নদীতে পৌঁছলেন তা এখন অস্পষ্ট। ঘটনাটি শহর শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফুলবাড়ির মহানন্দা নদীর।

স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার ভোর থেকেই মহানন্দার বুক জলে দাঁড়িয়ে ছিলেন ওই ব্যক্তি। প্রথমে ঘটনাটি নজরে পড়ে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের। এরপরেই ওই ঘটনার কথা স্থানীয়দের জানান জেলেরা। এক ব্যারেজ কর্মী কান্দ্রু মহম্মদ বলেন, ‘এদিন ওই ব্যক্তিকে মাঝ নদীতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেও পরে ডাঙায় উঠে আসবে ভেবে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কিন্তু পরের দিনও দেখা যায় ওই ব্যক্তি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। এরপরেই বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করা হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশেও। দুপুরে এমজেপি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। পরে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য তলব করা হয় ডাবগ্রাম সশস্ত্র পুলিশ ব্যারাকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলকে। শেষে অবধি বোটের সাহায্যে মাঝ নদী থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়।’

- Advertisement -

ঘটনাটি চাউর হতেই খবর পৌঁছায় ওই ব্যক্তির পরিবারের কাছে। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছোন পরিবারের সদস্যরা। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখী হয়ে নকুলবাবুর ভাই অর্জুন লাহা বলেন, ‘আমার দাদা মানসিক ভারসাম্যহীন। শুক্রবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ভক্তিনগর থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগও জানানো হয়েছিল। দাদাকে খুঁজে পেয়ে খুশি আমরা।’