ভোটের মুখে দল ছাড়লেন সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা

91

আসানসোল: ভোটের আগে প্রচার চলাকালীন বুধবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন আসানসোলের সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা যমুনা সমাদ্দার। তিনি একইসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সালানপুর ব্লকের সভানেত্রী ছিলেন। বুধবার বিকালে বারাবনি বিধানসভার নুনি মোড়ে বিজেপির নির্বাচনি কার্যালয়ে যমুনা সমাদ্দারের হাতে দলের পতাকা তুলে দেন প্রার্থী অরিজিৎ রায়।

যমুনাদেবী বলেন, ‘আগে দলটা ভালো ছিল। এখন দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। আমরা নামেই পদ আছি। কোনও ক্ষমতা বা দায়িত্ব কিছুই নেই। তাই মানুষের জন্য কাজ করতে দল ছাড়লাম।’ যদিও, ব্লক সভানেত্রীর দল ছাড়াকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন সালানপুর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা জেলা পরিষদ সদস্য মহঃ আরমান। তিনি বলেন, ‘এই রকম নেত্রীরা যত তাড়াতাড়ি দল ছাড়েন, ততই দলের মঙ্গল। তিনি অনেক দিন ধরেই দলের কোনও কাজে ছিলেন না।’

- Advertisement -

বিজেপি প্রার্থী অরিজিৎ রায় বলেন, ‘ভোটের অনেক আগে থেকেই শাসক দল এই বারাবনিতে ভয় দেখিয়ে, ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমার গাড়িতে হামলা করা হয়। আমি পুলিশের কাছে নির্দিষ্ট ভাবে ১১ জনের নামে অভিযোগ করি। কিন্তু, সবাইকে জামিন যোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়। যাতে পরের দিন সবাই ছাড়া পেয়ে, আবার একই কাজ শুরু করে। পুলিশ ও প্রশাসনের একাংশ এখনও তৃণমূল মহিলা দলদাস হয়ে কাজ করছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে সবই জানিয়েছি। আবারও জানাবো নির্বাচন কমিশনের তরফে আসা পর্যবেক্ষককে। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, এতকিছু করেও তৃণমূল কংগ্রেস জিততে পারবে না। বারাবনির মানুষেরা বিজেপির সঙ্গে আছেন।

জেলা সভাপতি বলেন, ‘শুধু বারাবনিতে নয়, জেলার সব জায়গায় একই ঘটনা ঘটছে। আমরা প্রতি বিধান সভা ভিত্তিক সব কিছু নির্বাচন কমিশনকে জানাবো।’ বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগকে পাত্তা দিতে চাননি তৃণমূল কংগ্রেসের বারাবনি ব্লক সভাপতি অসিত সিং। তিনি বলেন, ‘বিজেপির সব অভিযোগ মিথ্যে। নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখুক।’