রান খরায় চাপ বাড়ছে ফিঞ্চের

ওয়েলিংটন : বছরের শেষ দিকে টি২০ বিশ্বকাপের দলে কি জায়গা হবে অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের। এই ফর্ম্যাটের প্রাক্তন এক নম্বর ব্যাটসম্যানের বর্তমান ফর্মের বিচারে এই প্রশ্নই উঠছে।

এমনিতেই আইপিএলের নিলামে বিক্রি হননি, তার উপরে ব্যাটে রান না থাকা। জোড়া সমস্যায় বিদ্ধ ফিঞ্চ। অবশ্য এমন পরিস্থিতি ফিঞ্চের কাছে নতুন নয়। ২০১৯ ওডিআই বিশ্বকাপের আগেও রানের খরা ছিল তাঁর ব্যাটে। বিশ্বকাপের আগে ভারত সফরই ছিল ডেডলাইন। কিন্তু ৫ ম্যাচে ১৫৭ রান করে শেষ পর‌্যন্ত লন্ডনের টিকিট জুটিয়ে নেন। এবারও পরিস্থিতি একইরকম। আইপিএলে না থাকায় নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাকি থাকা ৩টি টি২০ ম্যাচই তাঁর শেষ ভরসা।

- Advertisement -

কিউইদের বিরুদ্ধে প্রথম দুই ম্যাচে ১ ও ১২ রান এসেছে ফিঞ্চের ব্যাট থেকে। এমন পরিস্থিতিতেও ফিঞ্চের আশা শেষ হয়নি বলেই মত সতীর্থ কেন রিচার্ডসনের। বললেন, সকলের কেরিয়ারেই এমন সময় আসে। তবে আশা করছি, ফিঞ্চ এটা কাটিয়ে পুরোনো ফর্মে ফিরে আসবে। সেই মানসিক জোর ওর আছে। ক্রিকেটের এই ফর্ম্যাটে ফর্মে ফিরতে একটি ভালো শটই যথেষ্ট। আর ব্যাটে রান না থাকা নিয়ে ও খুব একটা চাপে নেই। এটা অবশ্যই একটা ইতিবাচক দিক।

তবে ফিঞ্চের ফর্ম নিয়ে বেশ অখুশি মার্ক ও। এই প্রাক্তন তারকার কথায়, ওর প্রধান কাজ রান করা। অধিনায়কত্বের জন্য দলে ম্যাথু ওয়াডে, মিচেল মার্শ, মোজেস হেনরিকসরা আছে। টি২০-তে ওপেনার রান না পেলে সমস্যা বাড়ে। তার উপর ওপেনিংয়ে সুযোগ পাওয়ার জন্য দেশে অনেকই অপেক্ষায় রয়েছে। ফিঞ্চকে সরাসরি ছেটে ফেলার কথা না বললেও মার্কের বক্তব্য, নিজের ভবিষ্যৎ কী হবে তা ঠিক করার সুযোগ ওর হাতেই রয়েছে।

তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার নীতি মাথায় রাখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে চলতি সিরিজের বাকি তিন ম্যাচই ফিঞ্চের ডেডলাইন, বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার জন্য।