দ্রাবিড়ের পরামর্শ নিয়ে ইংল্যান্ড যাবেন অভিমন্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : সময়টা ভালো যাচ্ছে না। ব্যাট হাতে রান পাচ্ছিলেন না সম্প্রতি। বাংলা দলের নেতত্বের দায়িত্ব সতীর্থ অনুষ্টুপ মজুমদারকে ছেড়ে দেওয়ার পরও ছবিটা বদলায়নি অভিমন্যু ঈশ্বরণের।

কিন্তু পরিশ্রম ছাড়েননি। নেটে দীর্ঘসময় পড়ে থেকেছেন। নিজের ক্রিকেট স্কিলের উন্নতি করার চেষ্টা প্রবলভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। আর সঙ্গে নিয়ে চলেছেন গুরুমন্ত্র!

- Advertisement -

অনূর্ধ্ব-১৯ ও ভারতীয় এ দলের সদস্য হিসেবে কোচ রাহুল দ্রাবিড়কে কাছ থেকে দেখেছেন বঙ্গ ক্রিকেটের অভি। চেয়েছেন দ্রাবিড়িয় সভ্যতার স্রোতে গা ভাসাতে। কিন্তু কাজটা তো সহজ নয়। একজন ক্রিকেটারের জীবনে সাফল্যের পাশে ব্যর্থতা আসবেই। আর ব্যর্থতার সময় নিজের ফোকাস ঠিক রাখাটাই সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ। কঠিন এই সময়ে মধ্যেই টিম ইন্ডিয়ার ইংল্যান্ড সফরের দলে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে ফের সুযোগ পেয়েছেন অভিমন্যু। দল ঘোষণার পরই করোনা অতিমারির কঠিন সময়ে দুটো কাজ করেছেন তিনি। এক, অনুশীলনের সময় আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন দেরাদুনের বাড়ির ক্রিকেট অ্যাকাডেমীতে। দুই, গুরু দ্রাবিড়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

অভিমন্যুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উত্তরবঙ্গ সংবাদকে বলে দিলেন, ভারতীয় দলে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে আগেও ছিলাম। খুব কাছ থেকে বিরাট, রোহিতদের দেখেছি। চেষ্টা করেছি শেখার। অভিজ্ঞতাও বেড়েছে ক্রিকেটার হিসেবে। কিন্তু সবকিছুর পর আমি রাহুল স্যরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখি। ওনার পরামর্শ আমার কেরিয়ারের সম্পদ। ইংল্যান্ডের দল ঘোষণার দিন থেকেই ওঁর সঙ্গে বিলেত সফর নিয়ে আলোচনা করছি মোবাইলে।

স্ট্যান্ড বাই থেকে জাতীয় দল, অস্ট্রেলিয়া সফরে থঙ্গরাসু নটরাজন-মহম্মদ সিরাজদের উত্থানের কথা সবার জানা। অভিমন্যু অবশ্য ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য এখনই এমন স্বপ্ন দেখতে চান না। বরং বাস্তবের মাটিতে পা রেখে তিনি বলেন, প্রথম একাদশে সুযোগ এলে আমি তৈরি সেরাটা উজাড় করে দিতে। কিন্তু অন্য কার সঙ্গে কীভাবে কী হয়েছে, সেসব নিয়ে আমি ভাবতে রাজি নই। এটুকু বলতে পারি, মানসিকভাবে অনেকদিনই আমি তৈরি হয়ে রয়েছি। আর রাহুল স্যরের থেকে জেনে নিয়েছি, ইংল্যান্ডে কীভাবে পারফর্ম করতে হবে। উনি আমার আদর্শ। সবার ক্রিকেট কেরিয়ারের পথটা একইরকম হয় না।