বিভিন্ন দাবীতে মেখলিগঞ্জ কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

657

মেখলিগঞ্জ: চলতি শিক্ষাবর্ষে পড়ুয়াদের অনার্সে ভর্তির দাবীতে মেখলিগঞ্জ কলেজ কর্তৃপক্ষকে বুধবার বিকেল প্রায় পাঁচ ঘন্টা কলেজেই আটকে রাখল এবিভিপি। অবশেষে বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের মধ্যস্থতায় ছাড়া পান কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কোচবিহার জেলার সীমান্ত শহর মেখলিগঞ্জে রয়েছে একটিমাত্র কলেজ। মেখলিগঞ্জ ব্লকের ৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ও পুরসভার কয়েক সমস্ত শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার একমাত্র ভরসা এই কলেজ। তাই ৪০ শতাংশের ওপরে নম্বর পাওয়া পড়ুয়াদের ২০২০ শিক্ষাবর্ষে অনার্স কোর্সের জন্য ভর্তির আবেদন করার ও ভর্তির সুযোগ করে দেওয়া সহ মেখলিগঞ্জ কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের সুবিধার্থে কলেজের উত্তর দিকের সীমান্ত প্রাচীর তৈরির দাবি তোলেন তাঁরা। এ বিষয়ে একটি লিখিত দাবিপত্র মেখলিগঞ্জ কলেজের টিআইসিকে এবং কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারকে তুলে দেওয়ার জন্য মেখলিগঞ্জ কলেজে জমা দেওয়া হয়।

- Advertisement -

তবে, প্রায় এক মাস হলেও তাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় তাদের এদিনের এই কর্মসূচি। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এবিভিপির উত্তরবঙ্গ রাজ্য কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অনুভব দত্ত, এবিভিপির নগর সহ-সভাপতি ইরফান প্রামাণিক সহ প্রমুখ।

এদিন এই কলেজে জরুরী ভিত্তিতে গভর্নিং বডির বৈঠক ছিল। আর এই বৈঠকে কলেজে উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জ কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সঞ্চিতা ভট্টাচার্য, গভর্নিং বডির সদস্য বিষ্ণু পদ রায়, সদস্যা তাপসী সরকার সহ প্রমুখ।

অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের মেখলিগঞ্জ কলেজ ইউনিটের তরফে নয়ন অধিকারী জানান, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে অনার্সে ভর্তির জন্য একটি শতকরা নম্বর ধার্য করা হয়েছিল তার ফলে মেখলিগঞ্জ কলেজের বিভিন্ন বিষয়ে অনার্সের সিট এখনো ফাঁকা পড়ে আছে।

অন্যদিকে, এখনও অনার্স নিয়ে পড়তে ইচ্ছুক বহু ছাত্রছাত্রী রয়েছে যারা ৪০ শতাংশের ওপরে নম্বর পেয়েও অনার্সের জন্য আবেদন করতে পারছে না। যার ফলে দিন দিন মেখলিগঞ্জ কলেজে অনার্সে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমছে।

পাশাপাশি, মেখলিগঞ্জ কলেজের টিআইসি মৌসুমী দে সরকার জানান, গত মাসে এবিভিপির তরফে গতমাসে যে দাবিপত্র কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারকে তুলে দেওয়ার জন্য মেখলিগঞ্জ কলেজে জমা দেওয়া হয়েছিল তা সেই দিনই মেইল মারফত বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আজ আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দাবিতে আরও একটি মেইল পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তিনি উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য কথা বলতে কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন।

তিনি আরও জানান, কলেজের উত্তর দিকের সীমানা প্রাচীর তৈরির বিষয়ে শীঘ্রই মেখলিগঞ্জ সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ও মেখলিগঞ্জ মহকুমা শাসকের সাথে কথা বলবেন।