কোচবিহার জেলার দুই রাস্তাকে দুর্ঘটনাপ্রবণ তকমা

199

চাঁদকুমার বড়াল, কোচবিহার : কোচবিহার জেলার দুটি রাস্তাকে দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। কোচবিহার থেকে মাথাভাঙ্গা যাওয়ার রাজ্য সড়ক এবং বক্সিরহাট থেকে পুণ্ডিবাড়ি পর্যন্ত ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক- এই দুই রাস্তায় দুর্ঘটনা কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। শীঘ্রই সেখানে পূর্ত দপ্তর, এমভিআই, ট্রাফিক পুলিশ, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে কাজে নামবে বলে জানা গিয়েছে। যৌথ উদ্যোগে অভিযানও চালানো হবে।

যে দুই রাস্তাকে দুর্ঘটনাপ্রবণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলি কোচবিহার জেলার বাসিন্দাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে কোচবিহার শহর থেকে বের হয়ে দক্ষিণ দিকে গেলে তোর্ষা নদী পার হওয়ার পরেই মাথাভাঙ্গা হয়ে চ্যাংরাবান্ধা, মেখলিগঞ্জ যাওয়ার রাস্তাটি রয়েছে। এই রাস্তাটি শিলিগুড়ি যাওয়ার বিকল্প এবং পুরোনো পথ। একই সঙ্গে অসম-বাংলা সীমানার বক্সিরহাট থেকে পুণ্ডিবাড়ি পর্যন্ত ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কটিও গুরুত্বপূর্ণ। এই পথ দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সামগ্রী পৌঁছায়। তবে দুটো রাস্তাতেই গাড়ি চলাচল এত বেশি যে, সেখানে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই এই দুর্ঘটনা কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে মাথাভাঙ্গা যাওয়ার যে রাজ্য সড়কটি রয়েছে, সেখানে দুর্ঘটনা কমাতে স্পিড লিমিট জানিয়ে বোর্ড লাগানো সহ অন্য কাজ হবে। বক্সিরহাট থেকে পুণ্ডিবাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি যেহেতু জাতীয় সড়ক, তাই সেখানে স্পিড লিমিট জানিয়ে বোর্ড লাগানো হবে না। এই রাস্তায় নজরদারি বাড়ানো, পুলিশ, ট্রাফিক, এমভিআই মিলে জয়েন্ট রেইড করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলা শাসক (সাধারণ) লক্ষ্মী বি তান্নিরু বলেন, দুর্ঘটনা কমাতে বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলার দুটি রাস্তাকে চিহ্নিত হয়েছে, যেখানে বেশি দুর্ঘটনা হচ্ছে। এই দুটি রাস্তায় কীভাবে দুর্ঘটনা কমানো যায় সেটা দেখা হচ্ছে। সেখানে এনফোর্সমেন্ট ড্রাইভ করা হবে, জয়েন্ট ভিজিটও হবে। জেলা আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিক আশুতোষ রায় বলেন, দুটি রাস্তা নিয়ে বেশ কিছু কাজকর্ম শুরু করা হয়েছে। এই দুই রাস্তায় বেশ কিছু স্পট রয়েছে, যেখানে দুর্ঘটনা বেশি হয়। পিডব্লিউডি, এমভিআই, ট্রাফিক, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে কাজ করছে।