জয়ী সেতুর অ্যাপ্রোচ রোড পরিদর্শনে সেচ ও পূর্ত দপ্তরের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি

107

হলদিবাড়ি: আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই তড়িঘড়ি খুলে দেওয়া হয় রাজ্যের দীর্ঘ্যতম নদী সেতু জয়ী। বর্তমানে জোরকদমে চলছে সেতুর সংযোককারী সড়ক নির্মাণের কাজ। আগামী তিন মাসের মধ্যে জয়ী সেতুর অবশিষ্ট অ্যাপ্রোচ রোড সহ রোডের ছোট দুটি সেতুর কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানান সেচ ও পূর্ত দপ্তরের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি নবীন প্রকাশ।

মঙ্গলবার দুপুরে হলদিবাড়ি পূর্ত দপ্তরের অফিসে পৌঁছন তিনি। সেখান থেকে সরাসরি হলদিবাড়ি-মেখলিগঞ্জ সংযোগকারী তিস্তা নদীর জয়ী সেতু পরিদর্শনে যান। সঙ্গে ছিলেন মেখলিগঞ্জের মহুকুমা শাসক রামকুমার তামাং, কনস্ট্রাকশন সার্কেল-১ এর সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার অভিক পাত্র, সেচ দপ্তরের সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার সমর সরকার, তিস্তা ব্রিজ কনস্ট্রাকশন ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজেশ কুমার সিংহ, সেচ দফতরের এসডিও দেবব্রত মোদক, জলপাইগুড়ি ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার জয় প্রকাশ পান্ডে সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

- Advertisement -

সদ্য উদ্বোধন হওয়া রাজ্যের সর্ববৃহৎ সেতুটি পরিদর্শন করেন তিনি। সেতু পরিদর্শণ কালেই সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে বর্ষা মরসুমের তিস্তা নদীর জলের প্রবাহ সম্পর্কে জানতে চান। আধিকারিকরা ম্যাপ খুলে বিস্তারিত জানান। এরপর সেতু পেরিয়ে মেখলিগঞ্জের দিকে যান। সেখানে সেতু সংযোগকারী রাস্তার উপর নির্মীমান ছোট দুটি সেতুর কাজও খতিয়ে দেখেন।

এদিকে উদ্বোধনের দিন থেকেই জয়ী সেতু দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ রাজ্যের সর্ববৃহৎ সেতুটি ঘুড়ে দেখতে ভিড় জমাচ্ছে হলদিবাড়ির বেলতলীতে। সরস্বতী পুজো উপলক্ষে এদিন জয়ী সেতুতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ভিড়ের কারণে সেতু পরিদর্শনে খানিকটা ব্যাঘাত ঘটে। সঙ্গে সেতুর মাঝে গাড়ি বা বাইক পার্কিং করে সেলফি তোলার হিড়িক দেখে খানিকটা বিরক্ত হয়ে বলেন, ‘এমনটা চলতে থাকলে যে কোনদিন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।’