সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা বিএসএফের, পরিদর্শনে উত্তরবঙ্গের আইজি

103

মেখলিগঞ্জ: মেখলিগঞ্জ ব্লকের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা দিয়েও গোরু পাচার সহ চোরাচালানের অভিযোগ উঠে আসে বিভিন্ন সময়ে। তবে বর্ষার সময় জল বাড়লে নদীপথকে পাচারের অন্যতম করিডর হিসেবে ব্যবহার করে থাকে পাচারকারীদের একাংশ। কারণ নদীতে জল বাড়লে বিভিন্ন জিনিস বাংলাদেশে পাচার করা খুব সহজ হয়। সীমান্তের নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে মেখলিগঞ্জ সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন বিএসএফের উত্তরবঙ্গের আইজি রবি গান্ধি।

ব্লকের চ্যাংরাবান্ধা, ভোটবাড়ি, নিজতরফ, কুচলিবাড়ি সহ বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়েই বয়ে গিয়েছে তিস্তা, ধরলা, সুটুঙ্গা, সানিয়াজান নদী। অভিযোগ, এই নদীপথ দিয়েই পাচারের রমরমা কারবার চলে। তাই বর্ষায় পাচারকারীদের দৌরাত্ম রুখতে এবারও সীমান্তে বাড়তি নজরদারি ব্যবস্থা করেছেন বিএসএফ কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, গত দু’দিন থেকে মেখলিগঞ্জের সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখছেন আইজি। বৃহস্পতিবারও তিনি আন্তর্জাতিক তিনবিঘা করিডর, চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ঘুরে দেখেন। তিনবিঘায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ৫১ নম্বর ব্যাটালিয়নের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

- Advertisement -

এদিন বৃক্ষরোপণ করে সবুজায়নের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি সীমান্তে প্রহরারত বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গেও কথা বলেন। আইজি জানান, সীমান্তে সবসময়ই বিএসএফের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। বর্ষায় পাচারকারীদের দৌরাত্ম যাতে বাড়তে না পারে সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। সীমান্তের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নিতেই চ্যাংরাবান্ধা, তিনবিঘা সহ বিভিন্ন সীমান্ত ঘুরে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি জানান, সীমান্তে সাধারণ মানুষদের সঙ্গে বিএসএফের সুসম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সীমান্তে বিভিন্ন ধরনের সিভিক অ্যাকশন কর্মসূচি করা হবে।