সামসী রেলগেটে ফ্লাইওভার নির্মাণের তদন্তে প্রশাসনিক কর্তারা

344

সামসী: সামসী রেলগেটে ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয় নিয়ে শনিবার তদন্তে নামেন একদল প্রশাসনিক আধিকারিক। ওই প্রতিনিধি দলে ছিলেন জেলা ভূমি সংস্কার আধিকারিক খুরশেদ আলম, এডিএম(ভূমি)শম্পা হাজরা, রতুয়া-১ বিডিও সারওয়ার আলি। জন প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন রতুয়া-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আবিদা খাতুন, সদস্য নাজমুল হক, সামসী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শ্রবনকুমার দাস প্রমুখ।

এদিন প্রশাসনিক কর্তারা সামসী রেলগেটের দুই পাশ পরিদর্শন করেন। মূলত জমি জটে আটকে রয়েছে ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ। তাই জমি দাতাদের নিয়ে সামসী ঘাসিরাম মোড়ে এক বৈঠক করেন প্রশাসনিক কর্তারা। উল্লেখ্য, ৩০ শতাংশ জমিদাতা তাঁদের জমি দিতে আপত্তি না জানালেও ৭০ শতাংশ জমির মালিক তাঁদের জমি দিতে আপত্তির কথা জানায়। কেন তাঁরা জমি দিতে অনিচ্ছুক সে বিষয়ে নিয়েই জমি দাতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয় বৈঠকে।

- Advertisement -

জমিদাতাদের বক্তব্য, জমির জন্য সরকারি যা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে তা বর্তমান জমির মূল্য থেকে অনেক কম। বর্তমান দামের চারগুন দাম পেলে তবেই তাঁরা ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য জমি দেবেন বলেও জানান।

রতুয়া-১ এর বিডিও সাংবাদিকদের বলেন, ‘জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্রের নির্দেশে আমরা এদিন ফ্লাইওভারের নির্মাণের বিষয় নিয়ে সরজমিনে এসেছিলাম। জমির মালিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। তারপর জমির মালিকদের দাবি জেলাশাসক মারফত রাজ্য সরকারকে জানানো হবে। সামসী বাসিন্দাদের অনেকেই রেলগেটে সাবওয়ে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। সে বিষয়টিও রেল দপ্তরকে জানানো হবে।’

রতুয়া-সামসী সহ গোটা উত্তর মালদার বাসিন্দাদের বেশ কয়েকটি সমস্যা রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম সামসী রেলগেটের যানজট সমস্যা। রেলগেট একবার পড়লে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এলাকার জনসাধারণকে। বৃহস্পতিবার হাটবার থাকায় আরও করুন অবস্থার সৃষ্টি হয়। এনিয়ে সকলের মধ্যেই ক্ষোভ বাড়ছে।