যাত্রী পরিবহণ বন্ধ থাকায় বিক্ষোভে শামিল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা

171

খড়িবাড়ি: করোনা অতিমারির জেরে গত ১৮ মাস ধরে লাটে উঠেছে ভারত-নেপাল সীমান্তের পানিট্যাঙ্কি মার্কেটের ব্যবসা। বর্তমানে ভারত-নেপাল সীমান্তের অন্যান্য বর্ডারে যাত্রী পরিবহণ স্বাভাবিক হলেও পানিট্যাঙ্কি বর্ডার দিয়ে যাত্রী পরিবহণ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতেই ক্ষুব্ধ পানিট্যাঙ্কির ১২০০ ব্যবসায়ী। বুধবার পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে পানিট্যাঙ্কি বর্ডারে স্বাভাবিক যাত্রী পরিবহণের দাবিতে তুমুল বিক্ষোভ দেখানো হয়। এদিন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ মিছিল পানিট্যাঙ্কি বাজার পরিক্রমের পর বর্ডারে গেলে সীমান্তে প্রহরারত এসএসবি জওয়ানরা তাদের আটকে দেয়। এরপর আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে তুমুল বিক্ষোভ শুরু করে। এসএসবি-র ৪১ নম্বর ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট এইচ.হাওকিপ ঘটনাস্থলে যান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী।

মার্কেটের ব্যবসা মূলত নেপালের গ্রাহকদের ওপর নির্ভরশীল। স্বাভাবিকভাবে নেপালের গ্রাহকরা মার্কেটে না আসায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। চরম আর্থিক সংকটে দোকানিসহ টোটো ও অটো চালকরা। বেশকিছু দোকানি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। খড়িবাড়ির বিডিও, জেলাশাসক সহ প্রশাসনের বিভিন্নস্তরে বর্ডার স্বাভাবিক করার আবেদন করা সত্বেও কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, প্রশাসনকে বারবার স্মারকলিপি দেওয়া সত্বেও কোনও কাজ হচ্ছে না।

- Advertisement -

পরে ব্যবসায়ীদের তরফে এদিন এসএসবির অ্যাসিস্টেন্ট কমান্ডেন্টকে যাত্রী পরিবহণের দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এসএসবি অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতি উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য রামকুমার ছেত্রী বলেন, ‘ভারত-নেপাল সীমান্তের অন্যান্য বর্ডারগুলিতে যাত্রী পরিবহণ স্বাভাবিক থাকলেও শুধুমাত্র পানিট্যাঙ্কি বর্ডার দিয়ে যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। খড়িবাড়ির বিডিও নিরঞ্জন বর্মন বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’