একঘরে না করার আবেদন আফগান বোর্ডের

কাবুল : আইসিসির সদস্যপদ হারানোর আশঙ্কা। সঙ্গে চিন্তা ক্রিকেট বিশ্বে একঘরে হয়ে পড়ার। তালিবান শাসনে আফগানিস্তান ক্রিকেটের হাল শাঁখের করাতের মতো। এহেন পরিস্থিতিতে ভারত সহ ক্রিকেট খেলিয়ে দেশগুলির কাছে তাদের বয়কট না করার আবেদন জানাল আফগানিস্তান।

মহিলা ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞার পর সমালোচনা চলছে। অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, এরকম হলে   আফগানিস্তানের সঙ্গে টেস্ট খেলা সম্ভব নয়। যে প্রেক্ষিতে এসিবি-র সিইও হামিদ শিনওয়ারি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মতো বাকি দেশগুলিও যদি একই পথ হাঁটে, তাহলে আমরা ক্রিকেট বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ব। আফগানিস্তানের ক্রিকেট উন্নয়ন থমকে যাবে। ক্রিকেটটাই হয়তো হারিয়ে যাবে। দয়া করে আমাদের জন্য দরজা খোলা রাখুন। আমাদের নিয়ে পথ চলুন।

- Advertisement -

পথের কাঁটা অবশ্য মহিলাদের ক্রীড়ায় তালিবানি নিষেধাজ্ঞা। আইসিসির পরের বোর্ড মিটিংয়ে এবিষয়ে আলোচনা হবে। ক্রিকেটের ওপর সরকারি হস্তক্ষেপ আইসিসির ভাবনার পরিপন্থী। মহিলা ক্রিকেট বন্ধের ঘোষণার পর এসিবি-র ওপর খাড়া নেমে আসা প্রায় পাঁকা। যে প্রসঙ্গে শিনওয়ারি যুক্তি, আফগানিস্তানের নিজস্ব একটা সাংস্কৃতিক ও ধার্মিক আবহ রয়েছে। আইসিসি তা বোঝে এবং সেইমতো পদক্ষেপ করবে বলে তিনি আশাবাদী।

অবশ্য, এরমাঝেই মহিলা ক্রিকেট নিয়ে আশার আলো দেখিয়েছেন এসিবির চেয়ারম্যান আজিজুল্লাহ ফজলি। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ২৫ জন ক্রিকেটারই আফগানিস্তানেই রয়েছে। তাদের নিয়ে ভালো খবর শীঘ্রই তারা দিতে চলেছেন। তিনি বলেন, খুব শীঘ্র আমরা সুখবর দিতে পারব বলে আশাবাদী। মহিলা ক্রিকেটারদের কীভাবে ছাড়পত্র দেওয়া যায় তা নিয়ে নিজেদের অবস্থা পরিষ্কার করতে চলেছি আমরা।

এদিকে, অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ থেকে আফগানিস্তানকে বাতিল করার দাবিও উঠতে শুরু করেছে। প্রাক্তনদের অনেকের দাবি, চলতি পরিস্থিতিতে তালিবান সরকারকে বার্তা দিতে কড়া পদক্ষেপ জরুরি। বলার কথা, বিশ্বকাপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন রশিদ খান। অভিযোগ করেছেন, অধিনায়ক হলেও বিশ্বকাপ দল নির্বাচনে তাঁর মতামত নেওয়া হয়নি।