করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে ডুয়ার্সমুখী পর্যটকেরা

380

রহিদুল ইসলাম, চালসা: অবশেষে করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে ফের ডুয়ার্সে আসতে শুরু করেছেন পর্যটকেরা। আর এতেই কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে পর্যটন ব্যাবসায়ীদের মুখে। টানা লকডাউনের ফলে মুখ থুবড়ে পড়েছিল ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা। লকডাউনে সকলই গৃহবন্ধি অবস্থায় ছিলেন। করোনার আতঙ্কও ছিল যথেষ্টই। তিন মাস লকডাউনের ফলে পর্যটকেরাও আসতে পারেননি। ওই অবস্থায় বিভিন্ন রিসোর্টে থাকা কর্মীদের বেতন দেওয়া নিয়েও সমস্যায় পড়েছিল রিসোর্ট মালিকেরা। শুধু তাই নয় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমস্যায় পড়েছিল পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। অবশেষে আনলক পিরিয়ড শুরু হতেই ফের ডুয়ার্সমুখী হচ্ছেন পর্যটকেরা।

ডুয়ার্সের গরুমারা ও চাপরামারী অভয়ারণ্যে কে কেন্দ্র মূর্তি, ধূপঝোরা, বাতাবাড়ি, মাথাচুলকা, মঙ্গলবাড়ি, চালসা ইত্যাদি এলাকায় বহু বেসরকারি রিসোর্ট আছে। বর্ষায় জঙ্গল বন্ধ থাকলেও লকডাউনের গৃহবন্ধি থেকে কিছুটা মুক্ত পরিবেশে কাটানোর জন্য পর্যটকেরা ফের ধীরে ধীরে আসা শুরু করেছে ডুয়ার্সে। ইতিমধ্যে মূর্তি, বাতাবাড়ি, ধূপঝোরা এলাকার কয়েকটি বেসরকারি রিসোর্টে পর্যটকেরা এসেছেন। আসানসোল থেকে বাতাবাড়ির একটি বেসরকারি রিসোর্টে এসেছেন কয়েকজন পর্যটক। কথা প্রসঙ্গে তারা জানায়, লকডাউনে বাড়িতে থাকতে থাকতে বিষণ্ণ হয়ে গিয়েছি। এখন আনলক চলছে। করোনার আতঙ্কও কেটে গিয়েছে।

- Advertisement -

টানা গৃহবন্দি থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতেই ডুয়ার্সে আশা। এখন জঙ্গল বন্ধ থাকলেও ডুয়ার্সের মূর্তি, চা বাগান, নদী বর্ষায় আরও অপরূপ হয়ে উঠেছে। রিসোর্টগুলিতেও যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে। অন্যান্য পর্যটকদেরকেও তিনি ডুয়ার্সে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। পর্যটন ব্যবসায়ী সায়ন চক্রবর্তী বলেন, করোনার জন্য রিসোর্ট, গাড়িতে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধির ব্যবস্থা করা হয়েছে। জঙ্গল বন্ধ থাকলেও জঙ্গলের বাইরে বহু দেখার মতো ও উপভোগ করার মতো জায়গা রয়েছে। বর্ষায় ডুয়ার্সের রূপ আরও অভাবনীয় হয়ে ওঠে। পর্যটকেরা বিনা দ্বিধায় ডুয়ার্সে আসতে পারেন বলে জানান।