ফের সম্পূর্ণ লকডাউন পুরানো হাসিমারায়

293

কালচিনি: করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় গোটা হাসিমারা এলাকায় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। গত চার মাসে এলাকার একজন বাসিন্দাও করোনা সংক্রমিত না হলেও গত এক সপ্তাহে ওই এলাকায় ১৮ জন বাসিন্দা সংক্রমিত হয়েছেন। টানা এক সপ্তাহে পুরানো হাসিমারায় লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। ফলে পুরানো হাসিমারা ব্যবসায়ী সমিতির তরফে গত বুধবার থেকে দুই দফায় এক সপ্তাহের লকডাউনের আহ্বান করে। স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ আবেদনে সাড়া দেয়। কিন্তু বুধবার এলাকার ৮ জন সংক্রমিত হয়ে পড়ায় ফের এক সপ্তাহ লকডাউনের আহ্বান জানানো হয়েছে ব্যবসায়ী সমিতির তরফে।

পুরানো হাসিমারা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মনোজ বরুয়া বলেন, এলাকায় করোনা পরিস্থিতি জটিল আকার নিয়েছে ‌ সংক্রমণ রুখতে ফের এক সপ্তাহের লকডাউন ডাকা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা এলাকার বাসিন্দাদের যতটা সম্ভব বাড়িতে থাকার আবেদন করছি। এছাড়াও প্রত্যেকে রাতে সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মনে চলেন তারজন্য মাইকিং করে প্রচার চালানো হচ্ছে।

- Advertisement -

অন্যদিকে, কালচিনি ব্লকে এক দিনে রেকর্ড সংখ্যক করোনা আক্রান্তের হদিস মেলায় উদ্বিগ্ন ব্লক প্রশাসন। তারা করোনা ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে। বুধবার বিডিও ভূষণ শেরপার নির্দেশে হাসিমারা দমকল কেন্দ্রের তরফে কালিচিনির বিডিও কার্যালয়, কালচিনি থানা, কালচিনি বাজার ও হ্যামিল্টনগঞ্জ বাজার এলাকায় দমকল কর্মী রবিন রায়ের নেতৃত্বে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে স্যানিটাইজ করা হয়। ফায়ার অফিসার গৌতম সাহা বলেন, ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় স্যানিটাইজ করা হচ্ছে।

এদিকে ব্লক প্রশাসনের তরফে ব্লকের জয়গাঁ ও কালচিনিতে দুটি সেফ হাউস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিডিও অফিসে প্রশাসনিক বৈঠক করে জয়গাঁর নেতাজি সুভাষ রোগের গুলাবি দেবী ভবনকে সেফ হাউস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্লক প্রশাসন। বিডিও ভূষণ শেরপা বলেন, ব্লকে করোনা আক্রান্ত বাড়তে থাকায় সেফ হাউস তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জয়গাঁ ছাড়াও কালচিনিতে একটি সেফ হাউস তৈরি করা হবে। সেফ হাউসে যাদের করোনা উপসর্গ থাকবে তাদের রাখার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন বিডিও।