ফের ধস গুরুং শিবিরে, বিজেপিতে যোগ এই হেভিওয়েট নেতার

276

শিলিগুড়ি: ভোটের আগেই ফের ধস গুরুং শিবিরে। বুধবার গুরুং-এর সঙ্গ ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন একসময়ের বিমল ঘনিষ্ঠ ত্রিলোকচাঁদ রোকা। এদিন তাঁর হাতে পদ্ম পতকা তুলে দেন দার্জিলিং’য়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাজনৈতিক মহলের অভিমত, বিমলের জনপ্রিয়তা এবং ক্ষমতা দুই’ই ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিধানসভা নির্বাচনে গুরুং শিবির তৃণমূলের হাত কতটা শক্ত করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে আসছে। এনিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কোনও কোন মন্তব্য় না করলেও গুরুং শিবির থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস যে ফাঁপড়ে পড়েছে তা অবশ্য বলা বাহুল্য।

বিমল পাহাড়ে ফেরার পরেই গুরুংপন্থী মোর্চা শিবিরে ভাঙন ধরে। এক সময় বিমলের ছায়া সঙ্গী হিসেবে বিশেষ পরিচিত প্রভাবশালী নেতারা একে একে ভিড় জমাতে শুরু করেন গেরুয়া শিবিরে। সেই তালিকায় প্রথম নাম কল্যান দেওয়ানের। সর্বপ্রথম তিনিই বিমলের সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপির হাত শক্ত করেন পাহাড়ের বুকে। এরপরেই বিজেপির নেতারা হুংকার ছেড়েছিলেন গুরুংপন্থী মোর্চা শিবিরে ভাঙন ধরানোর বিষয়ে। যা বলা তাই কাজ। কল্যান দেওয়ানের পরেই বিমলের সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপিতে নাম লেখান শংকর অধিকারী, বিপি বাজগাই’য়ের মতোন বিমল ঘনিষ্ঠরা। এবার বিমলের সঙ্গ ছাড়লেন ত্রিলোকচাঁদ রোকা। এদিন দার্জিলিং’য়ে এক দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে তার হাতে দলীয় পতকা তুলে দেন সাংসদ।

- Advertisement -

ভোটের আগে পাহাড়ে বিজেপির পালে যে হাওয়া উঠতে শুরু করেছে তা বলাই বাহুল্য। কেননা, ত্রিলোকচাঁদ রোক বিমলের সর্বসময়ের সঙ্গী ছিলেন। সেই সুবাদে জেলেও যেতে হয়েছে তাকে। যদিও বিমল গুরুং পাহাড়ে না ফেরা অবধি দলের হাল কাঁধে তুলে সমস্ত দায়িত্ব পালন করে চলেছিলেন এই প্রথম সারির নেতারা। তবে, তৃণমূলের সঙ্গে গাঁট ছড়া বেঁধে গুরুং পাহাড়ে ফিরতেই ধস নামে মোর্চা শিবিরে। ক্রমেই ক্ষমতা হারাতে শুরু করে বিমল। যা কি না তৃণমূলের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।