ফের গাজোলে তিন করোনা আক্রান্তের হদিস মিলল

534

গাজোল: আবার তিনজন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল গাজোলে। তিনজনের মধ্যে দুইজন ভিন রাজ্যে কাজ করতেন। অপরজন কাপড়ের ব্যবসায়ী। বিভিন্ন হাটে হাটে কাপড়ের ব্যবসা করেন তিনি। এ নিয়ে গাজোল ব্লকে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৪ জন। যদিও ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬১ জন। নতুন করে সংক্রমিত হওয়া তিনজনকে শুক্রবার পুরাতন মালদার কোভিড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নতুন করে আক্রান্ত তিন জনের মধ্যে একজনের বাড়ি বৈরগাছি ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার আকালপুর রামকৃষ্ণ পল্লী এলাকায়। তিনি বিভিন্ন হাটে কাপড়ের ব্যবসা করেন। গত ২৩ জুন গাজোল গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁর লালার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বৃহস্পতিবার তাঁর লালা নমুনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সূত্রের খবর, তাঁর পরিবারের আটজন সদস্য রয়েছেন। এতদিন ধরে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন তিনি। বর্তমানে জ্বর এবং শারীরিক দুর্বলতার মতো বেশ কিছু উপসর্গ আছে।

- Advertisement -

বাকি দু’জনের মধ্যে একজন আক্রান্তের বাড়ি গাজোল ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বোমকা গ্রামে। তিনি চেন্নাইয়ে শ্রমিকের কাজ করতেন। গত ১৫ জুন ট্রেনে করে চেন্নাই থেকে মালদা টাউন স্টেশনে আসেন। এরপর মালদা থেকে বাসে করে গাজোলে ফেরেন। তিনি সেদিন থেকেই দুর্গাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোয়ারান্টিন সেন্টারে ছিলেন। গত ২৩ জুন মালদা মেডিক্যাল কলেজে তাঁর লালার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর লালার নমুনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

অন্য জনের বাড়ি রানীগঞ্জ ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের রানীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়। তিনি দিল্লিতে একটি কল সেন্টারে কাজ করতেন। সেখান থেকে গত ১০ জুন দিল্লি থেকে বাসে করে তিনি প্রথমে বুনিয়াদপুর আসেন। তারপর সেখান থেকে অটোতে চেপে আসেন বাড়িতে ফেরেন। তারপর থেকে পরিবারের সঙ্গে বাড়িতেই ছিলেন। গত ২৩ জুন তাঁরও মালদা মেডিকেল কলেজে পরিবারের সকলের লালার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তাঁদের মধ্যে শুধুমাত্র তাঁর লালা নমুনার রিপোর্টই পজিটিভ আসে।

এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে গাজোল ব্লক করো না আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৪ জন। তবে স্বস্তি খবর,এর মধ্যে মৃত্যুর কোনও খবর নেই। ৬১ জন ইতিমধ্যেই করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু, কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নানা ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাঁদের। স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছেন পুলিশকর্মীরাও।